- ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলের মানুষকে রক্ষায় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিশাল সুন্দরবন প্রাকৃতিক ঢালের মতো কাজ করে।
- উপকূলীয় বাঁধকে সুরক্ষিত রাখতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকার ও বিভিন্ন এনজিও সেখানে ম্যানগ্রোভ বনায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে অঞ্চলটিতে ম্যানগ্রোভের সংখ্যা বেড়েছে।
- এসব প্রকল্পের অগ্রভাগে থেকে কাজ করছেন, স্থানীয় পরিবেশ ও প্রতিবেশ সম্পর্কে সহজাত জ্ঞান থাকা উপকূলীয় গ্রামের নারীরা। উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ কাাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে পণ্য তৈরির মাধ্যমে উদ্যোক্তা হয়ে উঠছেন তারা।
- ম্যানগ্রোভ বনায়ন ও সংরক্ষণে স্থানীয় নারী ও সমবায় সমিতির সম্পৃক্ততা ম্যানগ্রোভ-নির্ভর জনগোষ্ঠীর মধ্যে মালিকানা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করছে।
পশুর নদীর ভাঙনপ্রবণ তীরে বাস করেন বলেই ম্যানগ্রোভ বাঁধের গুরুত্ব বোঝেন, ৪৩ বছর বয়সী সুমি মণ্ডল।
সুন্দরবন থেকে মাত্র ৪ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার (২ দশমিক ৯ মাইল) উত্তরে অবস্থিত খুলনার দাকোপ উপজেলার লাউডোব গ্রাম। গ্রামের উত্তরে, পশুর নদীর তীরে সুমি মণ্ডলের কুটিরের পাশেই একসময় ছিল এক ফালি ম্যানগ্রোভ বন। ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে লাউডোব ও বাণীশান্তা গ্রামকে উপকূলীয় বন্যার হাত থেকে বাঁচাতে, ৫০ কিলোমিটার (৩১ মাইল) দীর্ঘ বাঁধ সংস্কারের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ সরকার।
এ সংস্কারের সময় অনেক জায়গাতেই ম্যানগ্রোভ গাছ কেটে রোপন করা হয় ভিনদেশী বাবলা গাছ। স্থানীয়রা জানান, যেসব জায়গায় ম্যানগ্রোভ গাছ ছিল না, সেসব জায়গায় মেরামতের পরও বাঁধের বহু জায়গায় ফাটল ধরে যায়।
মঙ্গাবেকে সুমি মণ্ডল বলেন,”২০১৭ সালের আগে যে গাছগুলো ছিল, সেগুলো জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন ঠেকাতো। এছাড়া এগুলো ছিল ম্যানগ্রোভ পণ্যের কাঁচামালের উৎস।”
সরকারের পাশাপাশি, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় নদী ভাঙন রোধে বর্তমানে ম্যানগ্রোভ বনায়ন ও সংরক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে কিছু এনজিও এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠী।
বিশেষ করে, নারীদের জন্য এসব কর্মসূচি বিকল্প জীবিকার ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরি করছে। নারীরা লাভজনক ম্যানগ্রোভ নার্সারি ও সমবায় গড়ে তুলে, বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে, গোলপাতার (Nipa palm, Nypa fruticans) গুড়, কেওড়ার (Sonneratia caseolaris) আচার, হারগোজার (Acanthus ilicifolius) পানীয় ইত্যাদি।

পাঁচ বছর আগে সুমি মণ্ডলসহ আরও কয়েকজন নারী, স্থানীয় এনজিও Bangladesh Environment and Development Society (BEDS) এর সহায়তায় ২ হেক্টর (৪ দশমিক ৯৫ একর) জায়গায় ম্যানগ্রোভ বনায়নের কাজ শুরু করেন।
এই ২ হেক্টর জায়গায় গোরান (Ceriops tagal), কাঁকড়া (Bruguiera gymnorrhiza), গোলপাতা, কেওড়া, বিনা (Avicennia officinalis), সুন্দরী (Heritiera fomes), হারগোজা এবং অন্যান্য ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ রোপণ করেন সুমিরা।
সৌভাগ্যক্রমে, ম্যানগ্রোভ রোপণ করা বাঁধের অংশটুকু জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বেঁচে যায়। বর্তমানে সুমির নেতৃত্বে ২০ জন নারীর একটি দল, গবাদি পশু চরানো ও মানুষের অনধিকার প্রবেশের হাত থেকে এলাকাটিকে রক্ষা করে। এছাড়া যখনই দলের কেউ কোনো মৃত গাছ খুঁজে পায়, সঙ্গে সঙ্গে নতুন চারা রোপণ করে শূণ্যস্থান পূরণ করেন।
বাঁধ সংস্কারের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া ম্যানগ্রোভ পুনরুদ্ধারে, BEDS আরো কয়েকজন নারীকে নিয়ে একটি বড় দল গঠন করে। ২০২২ সালে দলটির মাধ্যমে ২০ হাজার ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ করা হয়।
নিজের ভাবনা নিয়ে মঙ্গাবের সঙ্গে কথা বলেন BEDS এর প্রতিষ্ঠাতা মাকুসুদুর রহমান। তিনি বলেন, সঠিকভাবে বৃক্ষরোপণের স্থান ও ম্যানগ্রোভ প্রজাতি বাছাই করে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হলে, ভাঙনের হার কমানো সম্ভব।
মাকসুদুর রহমান আরও বলেন, “সুন্দরবনের পার্শ্ববর্তী এলাকার নারীরা আগে বেশিরভাগই বেকার ছিলেন। বিকল্প জীবিকা হিসেবে ম্যানগ্রোভ বনায়নে তাদের যুক্ত করে আমরা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছি। “
এছাড়া বাংলাদেশ বন বিভাগ খুলনার বটিয়াঘাটায় Sheikh Russel Aviary & Eco Park- এর ২ দশমিক ০২ হেক্টর (৫ একর) জমিতে একটি ম্যানগ্রোভ বনায়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এখন পর্যন্ত সেখানে ৪ হাজার ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ করা হয়েছে।
প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় বন বিভাগ সুন্দরবনের কাছাকাছি ৫২টি নদী ও খালের তীরে ম্যানগ্রোভ বনায়নের একটি বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।


উদ্যোক্তা তৈরিতে ম্যানগ্রোভ বনায়ন
২০০৮ সালে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান Bangladesh Resource Center for Indigenous Knowledge (BARCIK) স্থানীয়দের অংশগ্রহণে ম্যানগ্রোভ বনায়ন কার্যক্রমের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ শুরু করে।
এখন পর্যন্ত BARCIK সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী, বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সীগঞ্জ, গাবুরা, পদ্মপুকুর ও আতুলিয়াসহ উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন গ্রামে ম্যানগ্রোভ বনায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগে নারীরা নদীর উজান থেকে ভেসে আসা ম্যানগ্রোভ বীজ সংগ্রহ করে চারা তৈরির জন্য সংরক্ষণ করেন। পরবর্তীতে পরিবারের পুরুষ সদস্যের সহায়তায় খোলপেটুয়া, চুনা ও মালঞ্চা নদীর তীরে নির্ধারিত ও বেড়া দেওয়া কর্দমাক্ত জায়গায় সেই চারা রোপণ করা হয়।
BARCIK এর সাতক্ষীরা জেলা সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ার্দার জানান, এখন পর্যন্ত তারা প্রায় ১ হাজার ৮০০ হেক্টর (৪ হাজার ৪৪৭ একর) জমিতে ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ করেছেন। এ কাজে ৪০০ জনের অধিক নারী সরাসরি যুক্ত আছেন।
নারীরা দলবদ্ধ হয়ে চারাগাছের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করেন এবং পূর্ণবয়স্ক হয়ে ফুল ফোটা পর্যন্ত সেগুলোর যত্ন নেন। পরিণত গাছ থেকে তারা কেওড়া ফল ও গোলপাতার রস সংগ্রহ করেন। সেগুলো দিয়ে যথাক্রমে আচার ও গুড় তৈরি করে বিক্রি করেন।
বুড়িগোয়ালিনী গ্রামের ৪২ বছর বয়সী শেফালি বেগম, এই ব্যবসার একজন সফল উদ্যোক্তা। তিনি জানান, ম্যানগ্রোভ বনায়ন কর্মসূচি তাকে জীবনের কঠিন সময়ে আর্থিক স্থিতি এনে দিয়েছে।
শেফালি আরো জানান, আচার ও গুড় উৎপাদন মৌসুমী ব্যবসা হলেও মাসে গড়ে প্রায় ৬০০০ টাকা (প্রায় ৫২ ডলার) আয় করেন তিনি। মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময়গুলোতে, যখন তার স্বামী ও ছেলে সুন্দরবনে মাছ ধরতে পারেন না তখন তার এই আয়েই সংসার চলে।
একসময়ের বেকার ও দরিদ্র গৃহিণী শেফালি এখন ৪০ সদস্যের একটি সমবায় সমিতির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।


অবহেলিত বনজ সম্পদকে মূল্যবান পণ্যে রূপান্তর
অন্যান্য গৃহবধূদের মতো দাকোপের ধাংমারি গ্রামের বাসিন্দা, নমিতা মণ্ডলও রান্নার জ্বালানি হিসেবে ম্যানগ্রোভ বীজ ব্যবহার করতেন। BEDS -এর ম্যানগ্রোভ বনায়ন ও সংরক্ষণ কর্মসূচির প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে নমিতার মাথায় আসে এক ভিন্নধর্মী ব্যবসায়িক ধারণা।
ম্যানগ্রোভ বীজ পুড়ানোর বদলে সেগুলো সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে শুরু করেন নমিতা। পশুর নদীর তীরে নিজ উঠানেই গড়ে তোলেন ছোট একটি নার্সারি। নমিতা জানান, “প্রথমদিকে সবাই বিষয়টি নিয়ে হাসাহাসি করত। তাদের মনে হতো, ম্যানগ্রোভ চারা কেউ কিনবে না।”
নমিতা বলেন, “তাদের অবাক করে দিয়ে পরের বছরই আমি ৫০ হাজার টাকার (প্রায় ৪২৬ ডলার) চারা বিক্রি করেছিলাম।”
দিনে দিনে নমিতার ছোট নার্সারির আয়তন দাঁড়ায় ১ বিঘায় (০ দশমিক ৩৩ একর বা ০ দশমিক ১৩ হেক্টর)।
২০২৩ সালে তিনি বাংলাদেশ বন বিভাগ, এনজিও BRAC এবং BEDS-সহ বিভিন্ন ক্রেতার কাছে প্রায় ৪ লাখ টাকার ( প্রায় ৩ হাজার ৪০৭ ডলার) চারা বিক্রি করেন।
নমিতার মতো উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে চারা সংগ্রহ করে, এখন পর্যন্ত শ্যামনগরের গাবুরা, কোলাকাটি ও চুনকুড়ি এবং দাকোপের বাণীশান্তা ও লাউডোবের নদীতীরে ১৪৬ দশমিক ৫৫ হেক্টর (৩৬২ একর) জমিতে প্রায় ১০ লাখ ম্যানগ্রোভ গাছ রোপণ করেছে BEDS.

ম্যানগ্রোভ বনায়নের অগ্রভাগে রয়েছেন নারীরা। উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং ও বিপণনের জন্য তারা দুটি সমবায় সমিতি গড়ে তুলেছেন।
BEDS এর মাঠ সমন্বয়কারী, শেখ ফয়সাল আহমেদ এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন মঙ্গাবের কাছে। তিনি জানান, নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সমিতির সদস্যরা ম্যানগ্রোভ বনায়ন এলাকা থেকে সংগৃহীত গোলপাতার রস সিদ্ধ করে গুড় তৈরি করেন। পাশাপাশি কেউ কেউ কাটা গোলপাতার পাতা দিয়ে মাদুর বোনেন।
আগস্ট থেকে অক্টোবর কেওড়া ফল সংগ্রহের মৌসুম। এ সময় নারীরা কেওড়ার আচার বানান। আর সারা বছর পাওয়া যায় এমন হারগোজা পাতা শুকিয়ে, গুঁড়ো করে, ছোট ছোট প্যাকেটে ভরে বাজারজাত করেন।
সমিতির সদস্য কমলা বিশ্বাস বলেন, “আমরা BEDS-এর বাণীশান্তা কার্যালয়ের প্রাঙ্গনে সব খাদ্যপণ্য প্রস্তুত করি, যাতে স্বাদ ও মানে কোনো তারতম্য না হয়।”
সুন্দরবনে বন বিভাগের তিনটি স্যুভেনির শপসহ মোট ৩০টি বিক্রয়কেন্দ্রে ‘বনজীবী’ ব্র্যান্ড নামে প্রায় ৩১৫ জন সদস্য এই পণ্য বিক্রি করছেন।
কমলা আরও বলেন, “আমরা সরাসরি ম্যানগ্রোভ বনায়নের সঙ্গে যুক্ত লোকজনের কাছ থেকে কাঁচামাল কিনি। প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিংয়ের সঙ্গে যুক্ত নারীরা কাজের ভিত্তিতে মজুরি পান, আর অবশিষ্ট লভ্যাংশ সমিতির মূলধনে যোগ হয়।”

জমি এবং জীবিকা রক্ষায় ম্যানগ্রোভ
IUCN- এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি ম্যানগ্রোভ প্রতিবেশ ধ্বংসের ঝুঁকিতে রয়েছে।
বন উজাড়, উন্নয়ন কার্যক্রম, দূষণ এবং বাঁধ নির্মাণ অধিকাংশ ম্যানগ্রোভ প্রতিবেশের জন্য বড় হুমকি। এর পাশাপাশি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, নদী ভাঙন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত ঘূর্ণিঝড়ের হার বেড়ে যাওয়ায় প্রতিবেশগুলো আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।
১৯৮০ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ভূমি ব্যবহারের ধরন বিশ্লেষণ করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, পূর্ব উপকূলের তুলনায় ভয়াবহ হারে হ্রাস পাচ্ছে সুন্দরবনের আয়তন ।
ম্যানগ্রোভ বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বন্যা ও নদীভাঙনের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে এই বন। গবেষণায় দেখা গেছে, ম্যানগ্রোভ বনের শ্বাসমূল পলি আটকে রাখে, জোয়ার-ভাটার মধ্যবর্তী অঞ্চলের মাটি দৃঢ় করে এবং ভাঙন রোধে সহায়তা করে।
Mangrove Alliance highlights – এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু ভূপ্রাকৃতিক স্থিতিশীলতা নয়, ম্যানগ্রোভ বনায়ন জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনে এবং উপকূলীয় মানুষের জীবিকা ও কল্যাণে সরাসরি অবদান রাখে।
মূলত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ম্যানগ্রোভ বনায়ন ও সংরক্ষণের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া, ম্যানগ্রোভের ওপর নির্ভরশীল মানুষের মধ্যে মালিকানা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করে।
শ্রীলঙ্কায় করা এক গবেষণাতেও দেখা গেছে, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণ কার্যক্রমের সাফল্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
প্রত্যন্ত গ্রামের একজন নারী হিসেবে সুমি মণ্ডলের পরিবেশবিজ্ঞান বা তত্ত্ব নিয়ে তেমন ধারণা নেই। তবে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, তার দল যে ম্যানগ্রোভ বন রক্ষা করছে তা তাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য।
সবশেষে সুমি বলেন, “গাছগুলো রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের জীবিকা এ গাছগুলোর টিকে থাকার ওপর নির্ভর করে।”
ব্যানার ছবি: উদ্যোক্তা নমিতা মণ্ডল তার নার্সারিতে ম্যানগ্রোভ চারায় পানি দিচ্ছেন। ছবি কৃতজ্ঞতা: BEDS
সাইেটশনস:
Pahlowan, E.U, Hossain, AT.M.S. A disparity between erosional hazard and accretion of the Sundarbans with its adjacent east coast, Bangladesh: a remote sensing and GIS approach. Proceedings Volume 9644, Earth Resources and Environmental Remote Sensing/GIS Applications VI; 96441G (2015). doi:10.1117/12.2196386
Tampanya, U., Vermaat, J. E., Sinsakul, S., & Panapitukkul, N. Coastal erosion and mangrove progradation of Southern Thailand. Estuar. Coast. Shelf Sci. 68, 75–85 (2006). doi:10.1016/j.ecss.2006.01.011
Sathiyamoorthy, S., Sakurai, T. Effectiveness of community participation in mangrove restoration: the evidence from northern Sri Lanka. Environ Econ Policy Stud (2024). doi:10.1007/s10018-024-00397-1
নিবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত হয় মঙ্গাবে গ্লোবাল-এ – এ, ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট।