- ভারতের উদ্যোক্তাদের কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে, দ্রুতবিস্তারকারী আগাছা কচুরিপানা। নারীদের আর্থিক উন্নতির পাশাপাশি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ নির্মাণে সহায়ক ভূমিকা রাখছে এটি।
- কচুরিপানা সহজলভ্য এবং এটি নিয়ে কাজ করাও সহজ বলে জ্বালানি-নির্ভর কাঁচামালের তুলনায় এটি বেশি টেকসই।
- কচুরিপানা থেকে পণ্য তৈরির ব্যবসা, নারীদের বাড়ির কাছাকাছি থেকে কাজের সুযোগ করে দিচ্ছে। এছাড়াও নারীদের জন্য উন্নত ও ভারসাম্যপূর্ণ কর্মক্ষেত্র, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নেও অবদান রাখছে এটি।
আসামের কামরূপ জেলার মরোমি হাজোয়ারির স্বপ্ন ছিল, একটি স্থিতিশীল জীবন এবং ছেলের জন্য ভালো শিক্ষার ব্যবস্থা করা। সেই স্বপ্ন তার পূরণ হয়েছে। তবে কেবল ভাগ্যের ফেরে তা হয়নি। মারোমির স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে একটি আগাছা, কচুরিপানা।
৩২ বছর বয়সী মরোমির পরিবার, চাষাবাদ আর ছোটখাটো কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত। দিন দিন তাদের খরচ বাড়ছিল। একটা সময়ে কঠিন হয়ে উঠেছিল, টিকে থাকা। সংসারে ভারসাম্য আনতে তার স্বামী লাইফগার্ড হিসেবে কাজ শুরু করেন। তারপরও সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছিল না।
দুই বছর আগে, মরোমি এমন একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করেন যেখানে কচুরিপানা ব্যবহার করে কাগজ তৈরি করা হয়। এখন আর তিনি টিকে থাকার চিন্তায় চিন্তিত নন। বরং এখন পরিবারের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।
মরোমি জানান, তিনি কখনও ভাবেননি যে একটি অপ্রয়োজনীয় আগাছা তাকে প্রতি মাসে বেতন দিয়ে কাজের সুযোগ করে দেবে। আর্থিক উন্নতিতে সাহায্য করবে। একসময় যে জিনিসকে বিরক্তিকর মনে করা হতো, সেই কচুরিপানাই এখন তার ক্ষমতায়নের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
তিনি আরও জানান, এই কাজের জন্য তাকে আর অন্য রাজ্যে কাজের সন্ধানে যেতে হচ্ছে না।
কচুরিপানার নতুন ব্যবহারিক উপায় আবিষ্কারের ফলে এখন অনেক মানুষের জীবন বদলাচ্ছে। কচুরিপানা যেমন মরোমির আর্থিক স্থিতিশীলতা এনেছে তেমনি এটি ২৪ বছর বয়সী উদ্যোক্তা অনিকেত ধরের কাছে হয়ে উঠেছে উদ্ভাবনের হাতিয়ার । তার স্টার্টআপ বা উদ্যোগটি এই আগাছা দিয়ে পরিবেশবান্ধব কাগজ ও পণ্য তৈরি করে।
অনিকেত বলেন, “কচুরিপানা এমন একটি দ্রুতবর্ধনশীল আগাছা যা পরিবেশের ক্ষতি করে। কিন্তু এটিকে উৎপাদনশীলভাবে কাজে লাগালে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা করা যায় অন্যদিকে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা সম্ভব।”
অনিকেত জানান, তাদের প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র কাগজ তৈরি করছে না, ব্যবসার ক্ষেত্র বাড়াচ্ছে। এসবের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয়দের কর্মসংসস্থানে অবদান রাখছে এটি।

ভাসমান কচুরিপানার মাঝে উজ্জ্বল বেগুনি রঙা ফুল খুবই দৃষ্টিনন্দন। তবে এই সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক গভীর বিপদ। এর ঘন শিকড়ের জাল জলজ প্রালীর শ্বাসরোধ করে, জলের নিচের সূক্ষ্ম বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস করে, সেচ ব্যবস্থায় বাধা দেয় এবং মৎস্যজীবী ও কৃষক সম্প্রদায়ের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্থ করে।
হাজোয়ারি ও ধর, কচুরপানাকে নারীর ক্ষমতায়ন ও উদ্যোক্তাদের সাফল্যের চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন। এই প্রবণতা আসাম, তামিলনাড়ু, উত্তর প্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ডসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। পরিবেশ সচেতনতা, টেকসই ব্যবসায়িক মডেল এবং আর্থ-সামাজিক পরিবর্তন আনার ইচ্ছাশক্তি, এই পরিবর্তনের মূল ভিত্তি।
আসাম থেকে ৩ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে, তামিলনাড়ু রাজ্যের ৩৯ বছর বয়সী সঙ্গরেশ্বরী প্রায় দশ বছর ধরে আতশবাজি ও দেশলাই কারখানায় কাজ করতেন। তাঁর জীবন ছিল দুর্গন্ধ ও ভয়ের আবরণে ঢাকা। দীর্ঘদিন রাসায়নিকের সংষ্পর্শে থাকার ফলে তাঁর শরীরে তীব্র গন্ধ লেগে থাকত, যা সাবানেও উঠত না।
প্রায়ই মাথাব্যথা, পেটব্যথা ও বমি ভাব দেখা দিত তার। অসুস্থতার কারণে প্রায়ই সঙ্গরেশ্বরী কাজে যেতে পারতেন না। তারপর তিনি একটি কারখানায় কাজের সুযোগ পান। যেখানে জলকচু ব্যবহার করে গৃহসজ্জা ও নানা ধরনের পণ্য তৈরি করা হয়।
তামিলনাড়ুর ভিরুধুনগর জেলার বাসিন্দা সঙ্গরেশ্বরী জানান, এটি তার জীবন সম্পূর্ণভাবে বদলে দিয়েছে। তাকে নানাভাবে ক্ষমতায়িত করেছে।
হাসিমুখে তিনি বলেন, এই কাজ তাকে আর্থিক স্থিতি, নিরাপত্তা ও মর্যাদা দিয়েছে।
এখন তার মাসিক আয় দ্বিগুণ বেড়ে ৯ হাজার টাকা হয়েছে। তিনি এখন তার পরিবারের একজন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগ্রহণকারী।
সঙ্গরেশ্বরীর স্বামী বিভিন্ন মৌসুমে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। সঙ্গরেশ্বরী জানান, তারা এখন নিজেদের বাড়ি তৈরি করছেন। তার সন্তানদের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন।

তিনি এখন কচুরিপানা দিয়ে কাগজ তৈরি করে নিজের পরিবারকে সহায়তা করছেন। একসময় যা ছিল কেবলই আগাছা, এখন সেটিই তাঁর জীবিকার উৎস।
আর্থিকভাবে সুবিধাজনক ও পরিবেশবান্ধব সম্পদ
কচুরিপানা থেকে তৈরি পণ্যের ব্যবসা করা, অর্থের দিক থেকেও সুবিধাজনক এবং পরিবেশবান্ধব।
পরিবেশবিদ মাইক পাণ্ডে বলেন, “এই কাঁচামাল সহজলভ্য, কাজ করার জন্য সুবিধাজনক এবং এটি জ্বালানি-নির্ভর কাঁচামালের তুলনায় অনেক বেশি টেকসই।
এছাড়াও জলাশয় থেকে এটি সরিয়ে পানিদূষণ হ্রাসে সহায়তা করা যায়। উদ্যোক্তারা এই আগাছাকে ব্যবহার করে হ্যান্ডব্যাগ, অফিস স্টেশনারি, গৃহসজ্জার সামগ্রী, কাগজসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করেন। যা আরও অনেকের আয়ের উৎস।
International Union for Conservation of Nature (IUCN), কচুরিপানাকে বিশ্বের ১০০টি সবচেয়ে দ্রুতবর্ধনশীল প্রজাতির মধ্যে একটি এবং সবচেয়ে ক্ষতিকর ১০টি আগাছার একটি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
মাত্র দশটি কচুরিপানা গাছ আট মাসের মধ্যে ৬ দশমিক ৫৫ লাখ গাছে রূপ নিতে পারে, যা প্রায় অর্ধ হেক্টর জলভাগ ঢেকে ফেলে।
পাণ্ডের সংস্থা Earth Matters Foundation, নারীদের কচুরিপানা থেকে পণ্য তৈরি শেখায়। পাণ্ডে বলেন, “এসব পণ্যের জৈব অবক্ষয়যোগ্যতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জল সংরক্ষণে ভূমিকা অসাধারণ।”
এছাড়াও জলাশয় থেকে এটি সরিয়ে পানিদূষণ হ্রাস করা সম্ভব। উদ্যোক্তারা এই আগাছাকে ব্যবহার করে হ্যান্ডব্যাগ, অফিম স্টেশনারি, গৃহসজ্জার সামগ্রী, কাগজসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করেন। যা আরও অনেকের আয়ের উৎস সৃষ্টি করে।
স্থানীয় নারীদের জন্য কচুরিপানা দিয়ে পরিবেশবান্ধব পণ্য তৈরি এক নতুন আশার আলো। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাড়ির কাছাকাছি থেকে ভালো কাজ করা, আর্থিক স্থিতিশীলতা ও উন্নত জীবনমানের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এই যেমন তামিলনাড়ুর ২৭ বছর বয়সী মুথু প্রিয়া। মা হওয়ার পর দেশলাই কারখানার কাজ ছেড়ে দেন সন্তানের যত্ন নেওয়ার জন্য। পরে তিনি এমন একটি কচুরিপানা পণ্য উৎপাদন কারখানার কথা জানতে পারেন, যেখানে শিশুযত্ন কেন্দ্রের (creche) সুবিধা রয়েছে। তখন তিনি সেখানে কাজ শুরু করেন।
মুথু প্রিয়া জানান, কচুরিপানা তাকে আর্থিক স্থিতি দিয়েছে। কাজের ফাঁকে সে এখন নিজের শিশুকে দেখতে পারেন।
তিনি বলেন, “একজন কর্মজীবী মায়ের আর কী চাওয়া থাকতে পারে?”

Wildlife Institute of India (WII) এর সহকারী প্রকল্প সমন্বয়ক ময়াঙ্ক ওঝা বলেন, “গ্রামীণ এলাকায়, যেখানে নারীদের বাইরে বেরিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেখানে এটি তাদের ঘরে বসেই আয় করার সুযোগ করে দিচ্ছে।”
ভারতের জল শক্তি মন্ত্রণালয় তার National Mission for Clean Ganga উদ্যোগের অধীনে WII-কে একটি প্রকল্পের দায়িত্ব দিয়েছে। ‘Jalaj—connecting river and people to realise Arth Ganga’ নামক এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে, সংস্থাটি নদীর তীরবর্তী জনগোষ্ঠীকে বিশেষত নারীদের, কচুরিপানা ব্যবহার করে টেকসই পণ্য তৈরির প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
ওঝা বলেন, “অল্প কিছু প্রশিক্ষণ এবং বাজারের চাহিদা ও নকশা সম্পর্কে ধারণা দিলে তাদের হাতে তৈরি পণ্য ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। আমাদের সংস্থা এরইমধ্যে ঝাড়খণ্ডের বহু গ্রামীণ নারীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।”
কুম্ভী কাগজের প্রতিষ্ঠাতা অনিকেত ধর বলেন, “কচুরিপানা এক ধরনের নবায়নযোগ্য সম্পদ। যা অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করছে। আগে এই সম্ভাবনা ছিল সীমিত।”
আগাছা থেকে আয়ের উৎস
ভোরের কুয়াশাচ্ছন্ন সুবাসিত বাঁশবনে, অনিকেত ধর তার শ্রমিক দলকে কচুরিপানা উপড়ে ফেলার নির্দেশ দেন। তিনি জানান, গাছের এই জটপাকানো শিকড়ের ভেতরেই সাফল্যের সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে।
প্রতি টানে জলাশয় একটু একটু করে মুক্ত হয়। জল আবার নিঃশ্বাস ফেলে, তার র্দীর্ঘদিনের লুকোনো দীপ্তি প্রকাশ করে। উপড়ে ফেলা আগাছা কয়েক সপ্তাহ ধরে শুকিয়ে নেওয়া হয়। তারপর তা গুঁড়ো করে পাল্পে পরিণত করা হয়। এরপর স্থানীয় নারীদের দ্বারা, অনিকেত ধরের কারখানায় পরিবেশবান্ধব কাগজে রূপান্তরিত করা হয়।
ধরের দাবি, কচুরিপানা থেকে কাগজ তৈরিতে প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় দশগুণ কম পানি লাগে।
অনিকেত ধরের মতোই, চেন্নাই-ভিত্তিক উদ্যোক্তা শ্রীজিত নেদুমপুল্লিও কাজ করেন ‘বৃত্তাকার অর্থনীতি’ (Circular Economy) এবং ‘ত্রিমুখী সাফল্য নীতি’ (Triple Bottom Line) — লাভ, মানুষ ও পৃথিবী এই তিন ভিত্তির ওপর।

ROPE International এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক নেদুমপল্লির প্রতিষ্ঠানে ৬০০ এর বেশি মানুষ কাজ করেন। নেদুমপল্লি জানান, তাদের লক্ষ্য হলো টেকসই পদ্ধতি গ্রহণ করা, পৃথিবীবান্ধব পণ্য তৈরি করা এবং একইসঙ্গে অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন করা। তারা আগাছাটিকে শুধুমাত্র কাঁচামাল হিসেবে নয়, বরং নারীদের সহায়তার একটি সুযোগ হিসেবে দেখেন।
তিনি আরও জানান, তাদের সংস্থায় ৯০ শতাংশেরও বেশি নারী কর্মী রয়েছে। এটি তাদের একটি সচেতন সিদ্ধান্ত।
কারখানার ভিতরে সাধারণ টেবিল ও বেঞ্চে বসে নারী শ্রমিকরা শুকনো কচুরিপানার আঁশ দিয়ে সোনালি দড়ি বুনছেন। তাদের দক্ষ হাত দ্রুত নড়ছে। দড়িগুলোকে পেঁচিয়ে ও বুনে তৈরি করছেন ব্যাগ, ঝুড়ি, ট্রে প্ল্যান্টার, স্টোরেজ কনটেইনারের মত নান্দনিক ও উপযোগী পণ্য। এগুলোর মধ্যে অনেক পণ্য আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও দোকানে রপ্তানি করা হয়।
শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আজকের দিনে অনেক ক্রেতা পরিবেশবান্ধব কিন্তু আকর্ষণীয় নকশার পণ্য খুঁজছেন। কচুরিপানা এই ভারসাম্য দারুণভাবে বজায় রাখতে সক্ষম।
কলকাতা-ভিত্তিক SKICORP Group এর সভাপতি আনন্দ বাজোরিয়া বলেন,“পাট বা নারকেলের ছোবড়ার তুলনায়, শুকনো কচুরিপানা নরম ও নমনীয়। কচুরিপানার এই বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্য আধুনিক নকশা ও ডিজাইন তৈরি সহজ, যা দেখতে সুন্দর ও আকর্ষণীয়।”
তিনি আরও বলেন, “এটি সহজে বিবর্ণ হয় না, টেকেও বেশিদিন।”

শ্রীজিত নেদুমপুল্লি বলেন, “এই পণ্যের ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। কারিগররা কাপড়, চামড়া, ধাতু, এমব্রয়ডারি বা ক্র্রুশের কাজ মিশিয়ে পণ্যগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করছেন। তাই এগুলো গ্রাহকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।”
ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলো বহু বছর ধরে কচুরিপানা ব্যবহার করে পণ্য তৈরি করছে। তবে ভারতের উদ্যোক্তারা সম্প্রতি এর ব্যবসায়িক সম্ভাবনার বিষয়টি উপলব্ধি করেছেন।
ব্যবসাটিতে বাজারে এখনও প্রতিযোগিতা কম। ফলে নতুন উদ্যোক্তাদের প্রবেশাধিকারও সহজ। এটি এই খাতে সফলতার পথ খুলে দিচ্ছে বলে মনে করেন নেদুমপুল্লি।
কচুরিপানা একটি নবায়নযোগ্য সম্পদ। সঠিক ব্যবহার হলে এটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ব্যানার ছবি: কারখানায় কচুরিপানা দিয়ে পণ্য তৈরি করছেন নারী শ্রমিকরা। ছবি: ROPE International
নিবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছে মঙ্গাবে ইন্ডিয়া-তে, ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর।