- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে জুম পদ্ধতির চাষাবাদ কৃষকদের মধ্যে একটি ঐহিত্যবাহী পদ্ধতি।
- তবে কৃষিজমি এবং ফলন হার কমতে থাকায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কৃষকরা জুম চাষ ছেড়ে অর্থকরী ফসল চাষে ঝুঁকছেন।
- লতানো সবজি, বাঁশের মাচা ব্যবহার করে আবাদ করাই হলো এই পরিবর্তিত চাষাবাদের নতুন ব্যবস্থা। লাভ বেশি ও মাটির উপরিভাগের ক্ষয় কম হওয়ায় ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এটি।
বাঁশের মাচার গায়ে বেয়ে উঠেছে শসা এবং করল্লার লতা। বাতাসে হালকা দুলছে সবুজ ফসল। এরকম একটি সতেজ, স্নিগ্ধ আবহে ৪৩ বছর বয়সী মিলন তঞ্চঙ্গা, প্রশান্ত মনে নিজের এই ক্ষেত থেকে শসা তুলে ঝুড়িতে রাখছেন।
মাত্র কয়েক বছর আগেও মিলন তঞ্চঙ্গা জুম পদ্ধতিতেই চাষাবাদ করতেন। যেটি মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা-রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের আদিবাসীদের ঐহিত্যবাহী ব্যবস্থা। তবে নানা কারণে ফলন হার কমতে থাকায়, নতুন পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু করা ছাড়া সাত জনের পরিবারের খাদ্যের জোগান কঠিন হয়ে পড়েছিলো তার কাছে।
আর এই কঠিন বাস্তবতা থেকে বের হতে, জীবিকা নির্বাহের জন্য মাচা পদ্ধতিকে আপন করে নেন পাহাড়ের অনেকেই। যেখানে মাটিতে ভিত্তি দিয়ে অনেকটা উঁচুতে বাঁশের তৈরি কাঠামো বানিয়ে সবজি চাষ করা হয়। এই পদ্ধতিতে একদিকে যেমন পোকামাকড় ও ভাইরাসজনিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকে ফসল, তেমনি আগের তুলনায় এতে একাধিক মৌসুমে কয়েকগুণ বেশি সবজি উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
মিলন থাকেন, বান্দরবান জেলার সুয়ালোক ইউনিয়নের আমতলি গ্রামে । নিজের বাঁশের মাচা প্রসঙ্গে তিনি জানান, “যদি আমি বাঁশের মাচাগুলো ভালোভাবে সংরক্ষণ করতে পারি, তাহলে এই এক বাঁশের মাচাতেই বছরে কয়েক দফায় চাষ করা সম্ভব। অন্যদিকে মাটিরও ক্ষয়ও কম হয় এতে।”
মাচা পদ্ধতিতে চাষ, মিলনসহ পাহাড়ের অনেক মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে। করল্লা, শসা এবং শিম জাতীয় ফসল এরই মধ্যে লাভজনক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে, নিশ্চিত করছে নিয়মিত আয়। এছাড়া এই পদ্ধতি মাটির ক্ষয় কমিয়েছে অনেকটাই।
“এখন আমার সব খরচ বাদ দিয়ে, প্রতি বছর অতিরিক্ত ৭০০০০ থেকে ৮০০০০ টাকা আয় হচ্ছে”-জানান মিলন।

জুমে উৎপাদন, চাহিদার তুলনায় অপর্যাপ্ত
জীবনের প্রায় অর্ধেক সময় ধরে জুম চাষ করেছেন ৫৩ বছর বয়সী মানু ম্রো। তবে বান্দরবান জেলার সুয়ালোক ইউনিয়নের ম্রোলং পাড়ার বাসিন্দা মানু, গত আট বছর ধরে জুম চাষ ছেড়ে দিয়ে বাগানভিত্তিক ফলের বাণিজ্যিক কৃষি শুরু করেন। এখানকার অন্যান্য কৃষকরা জানান, কৃষি জমির তুলনায় কৃষকের সংখ্যা বেশি। ফলে সংখ্যানুপাতে কমছে কৃষিজমি, একই সঙ্গে উৎপাদনও। জুম চাষ ছেড়ে দেয়ার এটিই সবচে বড় কারণ বলে জানান তারা।
মানু বলেন, “ জুম চাষের ধরন অনুযায়ী, আগে একটি জমি অন্তত ৯ থেকে ১০ বছর পতিত রেখে দিতে পারতাম। কিন্তু এখন কৃষি জমির অভাবে, একই জমিতে প্রায় প্রতি বছরই চাষ করতে হচ্ছে। ক্রমাগত চাষের চাপে কমে গেছে মাটির শক্তি। ফলে কমেছে ফলনও। যখন উৎপাদন কমে গেল, তখন বেঁচে থাকার জন্য আমাকে অন্য পথ বেছে নিতে হয়েছে।” এভাবেই নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন মানু। যিনি রাস্তার পাশে একটি চায়ের টং দোকানও চালান।
সরকারি কৃষি তথ্যেও জুম চাষে ফলন কমে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।
বান্দরবান জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ মৌসুমে জুম চাষের আওতায় জমির পরিমাণ ছিল ৯,০৫০ হেক্টর (২২,৩৬৫ একর)। তবে ২০২৪-২৫ মৌসুমে তা কমে দাড়িয়েছে ৮,২৭০ হেক্টরে (২০,৪৩৯ একর)। অন্যদিকে, একই সময়ে বান্দরবানে কৃষকের সংখ্যা বেড়েছে। ২০১১-১২ সালে এই সংখ্যা ছিল ৪৫,৬৪২ জন, ২০২৪-২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬,৫২৪ জনে।

জুম চাষ যখন সাংস্কৃতিক পরিচয়
পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কৃষকরা ঐতিহ্যগতভাবে নিজেদের জুমিয়া হিসেবে পরিচয় দেন। জুম চাষ শুধু খাদ্যের জোগান দেয়না, বরং এটি তাদের একটি সাংস্কৃতিক পরিচয়।
এই পদ্ধতিতে তারা ধান ও সবজিসহ প্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছুই উৎপাদন এখনো করে থাকেন।
অতীতে যখন কৃষিজমি পর্যাপ্ত ছিলো তখন জুম চাষীরা জায়গা পরিবর্তন করে চাষাবাদ জারি রাখতেন। চাষের যে জায়গা ছেড়ে আসতেন তা কখনো কখনো ২০ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে পতিত রেখে দিতেন। তবে এখন আর এটি সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে এক জমিতে একাধিক ফলনে কমছে মাটির উর্বরতা এবং ফলন। এ কারণেই জুম পদ্ধতিটিকে আর আগের মতো উপযোগী মনে করছেন না কৃষকরা। ২০২০ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, জমিকে পূনরায় ব্যবহার উপযোগী করতে যে সময় ৭ থেকে ৯ বছর ছিলো, তা নেমে এসেছে ২ থেকে ৩ বছরে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর কৃষকদের জন্য জুম চাষ নিছক কৃষি কাজ নয়, এটি তাদের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে প্রোথিত। চাকমা, মারমা, ম্রো, বম ও খুমিসহ আরো অন্যান্য আদিবাসী জনগোষ্ঠির আচার-অনুষ্ঠান ও ঋতুভিত্তিক কর্মকাণ্ড গড়ে উঠেছে জুমের সময়সূচীর ওপর। প্রতি মৌসুমে বপনের কাজ শুরু হয় পূর্বপুরুষদের বিশ্বাসভিত্তিক নানা আচার পালনের মধ্য দিয়ে, যেখানে জুমিয়া পরিবারগুলো ভালো ফলনের আশায় ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন।
ফসল কাটার সময়টি রুপ নেয় এক প্রাণবন্ত সামাজিক উৎসব আর মিলনমেলায়। অনুষ্ঠান, গান, ছন্দময় বাদ্যযন্ত্রের সুর এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাকে নৃত্যের মাধ্যমে ফুটে ওঠে সমাজ ও জীবিকার গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধন।

মাচা পদ্ধতি, পাহাড়ে নতুন সম্ভাবনা
তবে সব কিছুর পরও, কৃষিজমি ও ফলন সংকটের কারণে নতুন চাষপদ্ধতির দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে পাহাড়ের মানুষগুলোকে।।
“ফলন কমে যাওয়াই জুম চাষ থেকে সরে আসার অন্যতম কারণ,” বলেন বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।
আর মিলন তঞ্চঙ্গা বলেন, “মাটির শক্তি কমে গেছে, ফলে কমেছে ফলনও। আগে যেমনভাবে জুম চাষ আমার পরিবারের চাহিদা পূরণ করত, এখন আর তা পারে না-এই কারণেই আমাদের বেছে নিতে হয়েছে অন্য এক পদ্ধতি।”
বান্দরবান জেলার সদর উপজেলার আমতলীর লিটন মারমাও এই নতুন পথের যাত্রী। রৌদ্রোজ্জ্বল এক দিনে তার জমিতে বাঁশ, কাঠের খুঁটি, দড়ি ও প্লাস্টিকের জাল দিয়ে মাচা তৈরি করছিলেন তিনি। তার কাছে পদ্ধতিটি জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথমে শক্ত বাঁশের খুঁটি মাটিতে পুঁতে দেই, তার ওপর আড়াআড়ি করে বাঁশ বেঁধে কাঠামোটা তৈরি করে ফেলি। রোপণের দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর লতানো গাছের জন্য ওপরে জাল টানানো হয়।
লিটন জানান, প্রয়োজনীয় অধিকাংশ উপকরণই কাছাকাছি বন বা বাজার থেকে সহজেই পাওয়া যায়, ফলে বেশিরভাগ কৃষক স্বল্প খরচে তৈরি করে ফেলতে পারেন এই মাচা।
জেলা কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকায় মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা।
২০২২-২৩ মৌসুমে মাচায় চাষ হয় প্রায় ২,২৮২ হেক্টর কৃষিজমিতে (৫,৬৩৯ একর), ২০২৪-২৫ মৌসুমে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২,৮২৭ হেক্টরে (৬,৯৮৬ একর)।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, মূলত জেলার সদর ও রোয়াংছড়ি উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই পদ্ধতিটি।
কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তা, দুপক্ষরই একই মত- খাড়া পাহাড়ে মাচা পদ্ধতি থেকে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তি ফলন আসে।
রোয়াংছড়ির টিপু তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, “গাছ মাটির কাছাকাছি থাকলে তা সহজেই পোকামাকড়, ছত্রাক সংক্রমণ ও বর্ষায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে পড়ে। কিন্তু মাচা এসব সমস্যা থেকে ফসলকে রক্ষা করে।”
তিনি আরও বলেন, “মাচা পদ্ধতিতে লাউ, শসা, বরবটিসহ আরও অন্যান্য ফসল মাটির ৪ থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত (১.২ থেকে ১.৫ মিটার) ওপরে থাকে, ফলে রোগবালাই ও পানি জমার ঝুঁকি কমে এবং গুণগত মানও ভালো থাকে সবজির।”

গত মৌসুমে টিপু তার ক্ষেত থেকে প্রায় ২৪০০ কেজি (৫,২৯০ পাউন্ড) করল্লা তোলেন। বিক্রি করেন কেজি প্রতি গড়ে ৫৫ টাকা দরে। তিনি বলেন, “পাঁচ বছর আগে আমাদের অবস্থা এমন ছিলোনা। জুম চাষ থেকে বহু কষ্টে কিছু সবজি উৎপাদন হত, যা একটি পরিবারের জন্যও যথেষ্ট ছিলোনা। তবে মাচায় চাষ আমাদের নিয়মিত ফলন ও আয় দিচ্ছে, ফলে এসেছে স্বচ্ছলতাও।
বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মিশুক চাকমা বলেন, “যেসব কৃষক মাচা পদ্ধতি অনুসরণ করছেন, তারা প্রচলিত চাষের তুলনায় প্রতিকূল আবহাওয়াতেও বেশি ফলন পাচ্ছেন, স্বচ্ছলও হচ্ছেন।”
একই অফিসের উপ-পরিচালক আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন বলেন, “প্রয়োজনের তাগিদেই এই পরিবর্তনটি এসেছে। জুম চাষ যখন কৃষকদের নিজেদের খাবারের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে, তখন বাণিজ্যিক ফসল উৎপাদন তুলনামূলকভাবে নিশ্চিত করছে আয়ের বিষয়টি”।
তাছাড়া জুম চাষ মূলত সময় ও মৌসুমনির্ভর। সাধারণত জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এর সময়কাল। তবে এখন কৃষকরা সারা বছরই ফসল উৎপাদন করতে পারছেন। এছাড়া তাদের কাছে অর্থনৈতিক সুবিধাসহ খুলছে স্বনির্ভরতার অনেক জানালা, জানান সাইফুদ্দিন।
তবে আদিবাসী গবেষকরা মনে করেন, মাচা পদ্ধতি পুরোপুরি জুম চাষের জায়গা নিতে পারবেনা। যদিও বাড়তি ফসল, উৎপাদন ও খাদ্য সংকট কমাতে সাহায্য করছে।
বেসকারি সংস্থা ‘হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ’-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রশান্ত ত্রিপুরা। জুম চাষ নিয়ে একাধিক গবেষণা ও প্রকাশনী আছে তার। তিনি বলেন, “জুম ব্যবস্থা এরই মধ্যে ভেঙে পড়েছে। তবে এটি পাহাড়ি মানুষের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ। তাই আদিবাসী পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত এই সমন্বিত কৃষিপদ্ধতি সংরক্ষণের জন্য নীতিনির্ধারকদের পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ”।

মাচা পাহাড়ি ঢালকে সুরক্ষা দেয়
জুম চাষ প্রক্রিয়ার একটি অংশ হলো বড় বড় বনাঞ্চল পরিষ্কার করে, রোপণের আগে গাছগুলো পুড়িয়ে ফেলা। এতে মাটি দুর্বল হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে পাহাড়ের ঢাল।
এদিকে বাড়তি খাদ্য উৎপাদন চাপ থাকলেও, জুমের পদ্ধতি অনুযায়ী দীর্ঘ সময় কৃষিজমিটি ফেলে রাখারও আর সুযোগ থাকছেনা। ফলে উপর্যুপরি চাষে কমছে মাটির শক্তি ও উর্বরতা এবং বর্ষায় বাড়ছে ভূমিক্ষয়। যা নানারকম ঝূঁকি তৈরি করছে দেশী গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর। এছাড়া কাঠামোগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে পাহাড়, সঙ্গে কমে উৎপাদন।
অন্যদিকে, মাচা পদ্ধতিতে কেবল কৃষিজমির ছোট ছোট অংশ পরিষ্কার করে বাঁশের কাঠামো তৈরি করা হয়। ফলে পাহাড়ি ঢালের বেশিরভাগ অংশই আচ্ছাদিত থাকে সবুজে। পাশাপাশি মাচার ওপর লতানো গাছপালা একটি সবুজ ছাউনি তৈরি করে, যা সরাসরি বৃষ্টির আঘাত থেকে রক্ষা করে মাটিকে।
রোয়াংছড়ির কৃষক চিং নু মারমা বলেন, “ভারী বৃষ্টির সময়ও মাচার তলের মাটি জুম জমির মতো ধুয়ে যায় না।”
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, গাছপালার আচ্ছাদন পাহাড়ি ঢালকে ক্ষয় থেকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, “যদি প্রতি বছর পাহাড়ের একই জমিতে পতিত সময় ছাড়াই জুম চাষ করা হয়, তাহলে মারাত্মক আকার নেবে ভূমিক্ষয়। এছাড়া ভারী বৃষ্টিপাতে ধুয়ে যেতে পারে উপরিভাগের উর্বর মাটি। অন্যদিকে, যখন ঢালগুলো, গাছপালা দিয়ে আচ্ছাদিত থাকে, তখন বৃষ্টির প্রভাব মাটির ওপর কমে আসে এবং অনেকাংশেই রোধ করা সম্ভব হয় মাটিক্ষয়”।
ব্যানার ছবি: বাংলাদেশে পাহাড়ের ঢালে বাঁশের মাচায় কৃষকের ফলানো লাউ গাছ। ছবি: AgReach (Flickr, CC BY-NC-SA 2.0)।
নিবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত হয় মঙ্গাবে গ্লোবাল-এ, ২০২৬ সালের ২৫ মার্চ।
সাইটেশন:
Misbahuzzaman, K. (2016). Traditional farming in the mountainous region of Bangladesh and its modifications. Journal of Mountain Science. 13, 1489-1502. doi:10.1007/s11629-015-3541-7
Nahar, A., Akbar., M. A., Biswas., J. C., Gafur, A., Uddin, M. F., … Hamid. (2020). Household Demography and Food Security of Jhum Farmers in Bandarban District, Bangladesh. Journal of Applied Agricultural Economics and Policy Analysis. doi:10.12691/jaaepa-3-1-2