- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত উষ্ণায়নের প্রভাবে বাংলাদেশ ও ভারতের চা-বাগানগুলোতে বাড়ছে পোকামাকড়ের আক্রমণ।
- প্রচলিত কীটনাশক কার্যকরভাবে চা-বাগানের নতুন এই উৎপাত দমন করতে পারছেনা। ফলে উৎপাদন ও আয়ের হিসেবে বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হচ্ছে চা বাগানগুলো।
- বিশেষজ্ঞরা, সমন্বিত কীটনাশক ব্যবস্থাপনা (Integrated Pest Management) এবং মাটির গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পরামর্শ দিয়েছেন।
নিয়মিত সময়ের চেয়ে বেড়েছে গরমকাল, দেরিতে শুরু হয় বর্ষা আর শীত আসতে না আসতেই ফুঁড়ায় যায়! অর্থাৎ সব মিলিয়ে সামগ্রিকভাবে আবহাওয়া এখন আগের চেয়ে উষ্ণ। অন্যান্য ফসলের মতো চা-বাগানেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে পরিবর্তিত এই আবহাওয়া। বিশেষ করে গত কয়েক বছর ধরে নতুন ধরণের পোকামাকড়ের উৎপাত দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের চা-বাগানগুলোতে।
কীটতত্ত্ববিদরা লক্ষ্য করেন, চা বাগানে লাল মাকড়সা (red spider mite/Oligonychus coffeae) এবং থ্রিপস (thrips/Scirtothrips dorsalis)-এর মতো কয়েকটি পোকামাকড়ের উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তার হয়েছে। যেগুলো এক দশক আগেও বাগানগুলোতে দেখা যেতোনা।
এছাড়া বাড়তে থাকা তাপমাত্রা, মারাত্মক ক্ষতিকর লুপার শুঁয়োপোকার (looper caterpillar/Biston suppressaria) প্রকোপ আবারও বাড়িয়ে তুলেছে। যা লম্বা সময় ধরে বাগানে দেখা যায়নি।
চা (Camellia sinensis) গাছ এমনিতেই বিভিন্ন ধরনের পোকা ও মাকড়সা আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকে।
বাংলাদেশ ও ভারতের (বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চা উৎপাদনকারী দেশ) চা গবেষকরা সতর্ক করে বলেন, লাল মাকড়সা, থ্রিপস ও লুপার শুঁয়োপোকার পাশাপাশি চা-বাগানের বিশেষ মশা (tea mosquito bug/Helopeltis theivora), রেড কফি বোরার (red coffee borer/Zeuzera coffeae), গ্রিন উইভিল (green weevil/Hypomeces pulviger) এবং রেড স্লাগ ক্যাটারপিলার (red slug caterpillar/Eterusia aedea)-এর প্রকোপও চোখে পড়ার মত।
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মোহাম্মদ শামীম আল মামুন মঙ্গাবে-কে বলেন, “তাপমাত্রা বাড়ার কারণে যেমন পোকামাকড়ের আক্রমণ বাড়ছে, তেমনি বদলে যাচ্ছে তাদের আক্রমণের ধরন।”
স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের হিসাব বলছে, সিলেট অঞ্চলে সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা সাধারণত (দিনের বেলা) ৩৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৯৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট) ছিলো। ২০১১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এটি কমে এখন ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে (৮৮ দশমিক ২ ডিগ্রি ফারেনহাইট) নেমেছে। একই সময়ে গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (রাতের বেলা) প্রায় ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৬১ ডিগ্রি ফারেনহাইট) থেকে বেড়ে দাঁদিয়েছে ২০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৬৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট)।


২০২৪ সালে বাংলাদেশের সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে মোট ৯ কোটি ৩০ লাখ কেজি (২০ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড) প্রক্রিয়াজাত চা উৎপাদন হয়েছে। এর আগের বছর এই উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো ১০ কোটি ২৯ লাখ কেজি (২২ কোটি ৬৯ লাখ পাউন্ড)।
গত জুলাইয়ে প্রকাশিত পশ্চিমবঙ্গের একটি স্থানীয় সংবাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, লুপার শুঁয়োপোকার মতো কীটপতঙ্গের কারণে ভারতে প্রতি বছর প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লাখ কেজি (৩২ কোটি ৪০ লাখ পাউন্ড) চা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২ হাজার ৮৬৫ কোটি রুপি (৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার)।
ভারতের টি রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের (TRA) প্রধান কর্মকর্তা ও সচিব, জয়দীপ ফুকান বলেন, দেশটির বিভিন্ন চা-বাগান এলাকা, বিশেষ করে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে গ্রীষ্ম মৌসুম দীর্ঘায়িত হচ্ছে, ফলে বাড়ছে সেখানকার তাপমাত্রা।
তিনি মঙ্গাবে-কে বলেন, চা চাষের জন্য প্রায় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৭৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রা আদর্শ। তবে বর্তমানে ভারতে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত টানা কয়েক মাস চা-বাগানগুলোর তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে (৯৫ থেকে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট) ওঠানামা করছে।
“তাপমাত্রা বাড়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণও বাড়ছে,”- বলেন জয়দীপ।
২০২৪ সালে ভারতের আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর ভারত ও দক্ষিণ ভারতের ভ্যালিগুলোতে থেকে মোট ১৩০ কোটি কেজি (২৯০ কোটি পাউন্ড) প্রক্রিয়াজাত পাওয়া গেছে। এর আগের বছর দেশটিতে উৎপাদন হয়েছিলো ১৪০ কোটি কেজি (৩১০ কোটি পাউন্ড) চা।


উষ্ণতার কারণে তীব্র হচ্ছে সংকট
গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে চা গাছের সঙ্গে ১,০৩৪ প্রজাতির আর্থ্রোপডা অর্থাৎ পোকামাকড় ও মাকড়সা এবং ৮২ প্রজাতির নেমাটোড বা কৃমির সম্পর্ক রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে ২৫ প্রজাতির পোকামাকড়, চার প্রজাতির মাকড়সা এবং ১০ প্রজাতির নেমাটোড শনাক্ত করা হয়েছে।
কীটতত্ত্ববিদ শামীম বলেন, কয়েক বছর আগেও যে সব পোকামাকড়কে গৌণ সমস্যা হিসেবে ধরা হতো, সেগুলোর অনেকগুলোই এখন বাংলাদেশের চা-বাগানগুলোতে প্রধান সমস্যায় পরিণত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, কিছু চা-বাগানে লুপার শুঁয়োপোকা ও থ্রিপসের উৎপাত আবারও প্রধান ক্ষতিকর পোকামাকড় হিসেবে ফিরে এসেছে।
শামীম জানান, একদিকে তাপমাত্রার চাপ অন্যদিকে উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়ায় লাল মাকড়সা ও থ্রিপসের মতো পোকামাকড় ও মাকড়সার দ্রুত বংশবিস্তারের কারণে গাছগুলোর ঝুঁকি আরো কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
শামীম ও তার দল বাংলাদেশের চা-বাগানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করছেন, যার একটি গবেষণাপত্র শিগগিরই প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে জুলাইয়ে প্রকাশিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এক স্থানীয় সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, এই রাজ্যের উত্তরে অবস্থিত ডুয়ার্স ভ্যালি- অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক সময় এবং অস্বাভাবিক শীতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে মাদারিহাট-বীরপাড়া, কালচিনি ও কুমারগ্রামের মতো চা-বাগানগুলোতে উৎপাদন কমে গেছে ১০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, তাপমাত্রার এই পরিবর্তন লুপার শুঁয়োপোকার সংখ্যা দ্রুত বাড়তে সহায়তা করছে। একশ বছরের আবহাওয়া গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে সেখানে বলা হয়, শীতকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১ থেকে ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১ দশমিক ৮ থেকে ২ দশমিক ২ ডিগ্রি ফারেনহাইট) পর্যন্ত বেড়েছে। এই বাড়তি তাপমাত্রা এবং কমতে থাকা বনভূমি পোকামাকড়ের বিস্তারকে আরও তীব্র করে তুলছে।
২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে দক্ষিণ ভারতের ইউনাইটেড প্ল্যান্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কাছে জরুরি সহায়তা চায়। তারা জানিয়েছিল, নিচু ও উচু উভয় উচ্চতার চা-বাগান এলাকাতেই মশার প্রকোপ বাড়ছে। আর এর মূল কারণ ছিল উষ্ণ হয়ে ওঠা আবহাওয়া।
সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, হেলোপেলটিস মশকিটো বাগ, দক্ষিণ ভারতের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে চা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
২০২৩ সালের আগস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়, পোকামাকড়ের আক্রমণের কারণে তামিলনাড়ুর ভালপাড়াই পাহাড় অঞ্চলে চা উৎপাদন কমে গেছে। ২০০৯-১০ সালে উৎপাদন ছিলো ৩ কোটি কেজি (৬ কোটি ৬১ লাখ পাউন্ড)। যা ২০২১-২২ সালে কমে, ১ কোটি ৬৭ লাখ কেজিতে (৩ কোটি ৬৮ লাখ পাউন্ড) নেমে আসে অর্থাৎ প্রায় ৫০ শতাংশ হ্রাস পায়।

সম্ভাব্য প্রতিকার
পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে এখন অনুমোদিত ছয় থেকে আট ধরনের কীটনাশক ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ব্যবহার করছেন চা-বাগান ব্যবস্থাপকরা। যেগুলো মাকড়সা, উইপোকা, নেমাটোড এবং মশা দমন করতে সক্ষম। তবে এখন এর কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
চা-বাগান কর্তৃপক্ষ পোকামাকড়ের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছেন, কারণ নানা প্রজাতির পোকামাকড়ের মধ্যে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ায় কীটনাশকের কার্যকারিতা অনেকটাই কমে এসেছে।
২০২৪ সালের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, রস শোষণকারী পোকামাকড় দমনে নিয়নিকোটিনয়েড, কার্বামেট ও সিনথেটিক পাইরেথ্রয়েডের ব্যাপক ব্যবহার এখন প্রায় রাসায়নিকভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। কারণ এসব পোকামাকড় নিজের শরীরে গড়ে তুলেছে বিভিন্ন ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ।
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (Integrated Pest Management/IPM) পদ্ধতির পরামর্শ দিয়েছেন শামীম। এর মধ্যে রয়েছে চা গাছ ছাঁটাই ও পাতা তোলার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ, সঠিক ছায়া ব্যবস্থাপনা, বাগানের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, ভারসাম্যপূর্ণ সার প্রয়োগ, পোষক গাছ অপসারণ এবং পোকা-সহনশীল বা প্রতিরোধী জাত নির্বাচন করে পোকামাকড়ের আক্রমণ কমানো।
তার গবেষণা অনুযায়ী, হাতে ধরে পোকা অপসারণ, তাপ প্রয়োগ, আলোর ফাঁদ, জৈব কীটনাশক, জৈব নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান এবং ফেরোমোন ফাঁদের মতো যান্ত্রিক পদ্ধতিগুলোও বালাই ব্যবস্থাপনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আইপিএমের (IPM) পাশাপাশি টি রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের (TRA) সচিব, জয়দীপ চা গাছের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
দক্ষিণ এশিয়ার চা শিল্পের বয়স ২০০ বছরেরও বেশি উল্লেখ করে জয়দীপ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এক ফসলি চাষের আধিপত্য এবং কৃষি জমির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে চা-বাগান এলাকার মাটির গুণগত মান কমে গেছে।
তার মতে, TRA India চা-বাগানে ব্যবহারের জন্য বায়োচার তৈরি করেছে, যা কাঠ বা উদ্ভিতজাত বর্জ্যের মতো জৈব উপাদান থেকে তৈরি সার। পুষ্টিসমৃদ্ধ এই বায়োচার মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করতে সহায়তা করে।
জয়দীপ বলেন, “কোনো নির্দিষ্ট চা-বাগানের মাটির গুণগত মান উন্নত করতে কমপক্ষে পাঁচ বছর বা তারও বেশি সময় লাগবে। একবার মাটির মান পুনরুদ্ধার করা গেলে পোকামাকড় সংক্রান্ত ৫০ শতাংশেরও বেশি সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও অভিযোজনের জন্য বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলংকাজুড়ে কীটনাশক ব্যবহার ও বালাই ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত একটি তথ্য ভান্ডার গড়ে তোলা জরুরি।
সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়ে শ্রীলঙ্কার প্ল্যান্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সিলনের সদস্য এবং কেলানি ভ্যালি প্ল্যান্টেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, রোশন রাজাদুরাই মঙ্গাবে-কে বলেন, দেশটির চা শিল্পে তাপমাত্রা বৃদ্ধির তুলনায়, স্বল্পমেয়াদি অতিবৃষ্টির ঘটনাই বেশি প্রভাব ফেলছে।
তার মতে, শ্রীলংকায় এই শিল্প ভাগ্যক্রমে খুব কম পোকামাকড় সংক্রান্ত সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। আবহাওয়াগত এই সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দেশটি আইপিএম অনুসরণ করে। নতুন গাছ লাগানো, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের মতো কৃষিকাজের আদর্শিক চর্চা বজায় রেখেছেন দেশটির চা চাষিরা।
শুধুমাত্র বেশি আর্দ্রতা ও অতিবৃষ্টিপ্রবণ এলাকাগুলোতেই তারা অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার করেন।
রোশান বলেন, “এ কারণেই শ্রীলঙ্কা বিশ্বের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন চায়ের উৎস হিসেবে স্বীকৃত, যেখানে কীটনাশকের প্রভাব সবচেয়ে কম।”
ব্যানার ইমেজ: ভারতের আসামে একটি লুপার পোকা (Biston suppressaria)। ছবি: Vijay Anand Ismavel via Flickr (CC BY-NC-SA 2.0).
প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয় মঙ্গাবে গ্লোবাল-এ ২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর।
সাইটেশন:
Roy, C., Naskar, S., Ghosh, S., Rahaman, P., Mahanta, S., Sarkar, N., Kundu Chaudhuri, R., Babu, A., Roy, S., & Chakraborti, D. (2024). Sucking pest management in tea (Camellia sinensis (L.) Kuntze) cultivation: Integrating conventional methods with bio-control strategies. Crop Protection, 183, 106759. doi:10.1016/j.cropro.2024.106759
Mamun, M. S. A., & Ahmed, M. (2011). Integrated pest management in tea: Prospects and future strategies in Bangladesh. Journal of Plant Protection Sciences, 3(2), 1–13. doi:10.48165