- পৃথিবীর অন্যতম জলবায়ু-সংবেদনশীল বদ্বীপ বাংলাদেশ। এখানে ক্রমাগত বাড়ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ফলে টেকসই বাসস্থানের জন্য জলবায়ু-সহনশীল আবাসনের বিষয়টি এখন সামনে আসছে।
- নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও টেকসই নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার বাড়াতে, গড়ে উঠছে টেকসই স্থাপত্য মডেল।
- বিশেষজ্ঞরা নির্দিষ্ট জলবায়ুগত দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জন্য, আলাদা অঞ্চলভিত্তিক ভবন নির্মাণবিধি প্রণয়নের সুপারিশ করছেন।
বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে খুব বেশি উঁচু নয়। অসংখ্য নদী ও শাখানদী জালের মতো ছড়িয়ে আছে দেশটির বুকে। এই নিচু ভূমি ও নদীনির্ভর ভূপ্রকৃতির কারণে, প্রতি বছর সহজেই বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই অঞ্চল।
এছাড়া ঘনঘন ঘূর্ণিঝড় ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিপর্যয়, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে এই বদ্বীপকে।
২০০৮ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে, ইন্টারনাল ডিসপ্লেসমেন্ট মনিটরিং সেন্টার (IDMC) ১২৩টি দুর্যোগের তথ্য নথিভুক্ত করে। এসব দুর্যোগের কারণে প্রতি বছর গৃহহীন হয়ে পড়ে হাজার হাজার বাসিন্দা। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ওই বছরগুলোতে প্রায় ১ কোটি ১৩ লাখ মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরে যাওয়ার অভিজ্ঞতার মুখোমুখী হয়েছেন।
তবে IDMC-এর মূল্যায়ন বলছে, এ ধরনের অনেক স্থানান্তরই অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয়। তারপরও প্রতি বছর এসব দুর্যোগ হাজার হাজার মানুষকে এমন এক ধরনের প্রতিকূল অবস্থায় ফেলছে, যেখানে তারা চাইলেও আর আগের ঠিকানায় ফিরতে পারেন না।
এ ধরনের প্রেক্ষাপটে নিরাপদ আবাসন কেবল অবকাঠামোগত চাহিদা নয়, বরং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। তবে দুর্যোগপীড়িত মানুষের জন্য নিরাপদ বা টেকসই আবাসনের ধারণা এখনো দাতা-নির্ভর বিষয় হিসেবেই রয়ে গেছে। কারণ বাংলাদেশে জলবায়ু ও দুর্যোগ-সহনশীল নির্মাণ পরিকল্পনা ও উপকরণের ব্যবহার এখনো জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি।
“দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে টেকসই ও নিরাপদ আবাসনই প্রথম প্রতিরক্ষা-ব্যবস্থা,” বলেন সেন্টার ফর হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চের (HBRC) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবু সাদেক। এটি একটি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা টেকসই, সাশ্রয়ী এবং জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নির্মাণে কাজ করছে।
সাদেক লক্ষ্য করেন, বাংলাদেশে বিশেষ করে গ্রামীণ-দারিদ্র অধ্যুষিত অঞ্চলে প্রচলিত ঘরবাড়িগুলো কাঠামোগতভাবে অনিরাপদ এবং দুর্বল। যা ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা, আকস্মিক বন্যা, লবণাক্ততা, ভূমিকম্প ও তাপজনিত চাপ মোকাবিলায় সক্ষম নয়।
সরকারের ২০২১ সালের দুর্যোগ সংক্রান্ত পরিসংখ্যান বলছে, দেশের অর্ধেকেরও বেশি পরিবারের ঘরবাড়ি কংক্রিটের নয়।
দুর্বল টিনের ছাদ বা কাদামাটির দেয়ালের ঘরে বসবাসকারী লাখো পরিবার, জলবায়ুগত অভিঘাতের ঝুঁকিতে রয়েছেন।
জলবায়ু ও দুর্যোগ-সহনশীল আবাসনের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে সাদেক বলেন, এ ধরনের ঘরবাড়ি মৃত্যুহার ও ক্ষয়ক্ষতি কমায়। এছাড়া সম্পদ ও সঞ্চয় রক্ষা, বাস্তুচ্যুতি কমানো এবং পুননির্মাণ ব্যয় কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে এ ধরনের অবকাঠামো।
“সহনশীল আবাসন শুধু নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয় নয়। এটি একটি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, জলবায়ু অভিযোজন কৌশল এবং জাতীয় টেকসই উন্নয়নের পথ,” বলেন সাদেক।
তার সুপারিশ অনুযায়ী, বাংলাদেশে টেকসই নির্মাণ সামগ্রীকে পাঁচটি মানদণ্ড পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো- কাঠামোগত নিরাপত্তা, আর্দ্র ও লবণাক্ত পরিবেশে স্থায়িত্ব, রক্ষণাবেক্ষণ-সাশ্রয়ী, ব্যয় সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব।

সাশ্রয়ী আবাসন মডেল
২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে চাঁদপুর, কুষ্টিয়া, নোয়াখালী ও গোপালগঞ্জ জেলায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ৬৯০টি জলবায়ু-সহনশীল, সাশ্রয়ী আবাসন ইউনিট উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ, যুক্তরাজ্য সরকার ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (UNDP) সহায়তায় বাস্তবায়ন করা হয় এই আবাসন প্রকল্প।
স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ‘অনুষঙ্গ বাংলাদেশ’ নির্মাণ পরিকল্পনাটির নকশা করে।
অনুষঙ্গের স্থপতি মঈনুল আলম বলেন, “আমরা কোনো প্রচলিত ইটের দেয়াল ব্যবহার করিনি। কাঠামোগুলো ফাঁপা ব্লক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, আর পিলারগুলো নির্মাণ করা হয়েছে নুড়ি পাথরের ঢালাই দিয়ে ।”
দরজা-জানালার ক্ষেত্রেও স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানটি তুলনামূলক ব্যয়বহুল উপকরণ এড়িয়ে গেছে। টাইলস ব্যবহার না করে, ঘরগুলোর মেঝে করা হয়েছে কম খরচের মিহি সিমেন্ট দিয়ে, যা মেঝেকে অনেক মসৃন করে।
সাশ্রয়ী ও টেকসই ঘর পরিকল্পনা করাই স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানটির প্রাথমিক লক্ষ্য।
মঈনুল বলেন, “যখনই আমরা সাশ্রয়ী জলবায়ু সহনশীল আবাসনের কথা বলি, তখন শুধু নির্মাণ সামগ্রীর কথাই ভাবি আমরা। অথচ ব্যাপারটি শুধু অবকাঠামোগত পরিকল্পনা নয়। বরং খরচ কম করে কী উপায়ে কার্যকর ঘর বানানো যায় তারই একটি সুষ্পষ্ট চিন্তাভাবনা হলো টেকসই নির্মাণ কৌশল।”
অনুষঙ্গকে ৩০ বর্গমিটার (৩২০ বর্গফুট) আয়তনের একটি আবাসন ইউনিট পরিকল্পনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। যার মধ্যে প্রাথমিকভাবে মাত্র ১৪ দশমিক ৮ বর্গমিটার (১৬০ বর্গফুট) ছিল বরাদ্দ ছিলো ঘরের।
তবে প্রতিষ্ঠানটি, চলাচলের পথ ও সিঁড়ির নকশা বদলে খরচ কমিয়েছে আরো কিছু। একই সঙ্গে ঘরের জায়গা বাড়িয়ে ২০ দশমিক ৪ থেকে ২৩ দশমিক ২ বর্গমিটার (২২০-২৫০ বর্গফুট) করেছে তারা।
মঈনুল বলেন, এই মডেল অনুসরণ করে ৩০ বর্গমিটারের একটি আবাসন ইউনিট নির্মাণে খরচ হবে সাড়ে ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা (৫০০০ থেকে ৬,৫০০ ডলার)।

উপকূলীয় অবকাঠামোতে কংক্রিটের ব্যবহার
বাংলাদেশভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক, উপকূলীয় এলাকা- বরগুনা, সাতক্ষীরা, ভোলা ও পটুয়াখালী জেলায় ৬৫ দশমিক ৭ বর্গমিটার (৭০৮ বর্গফুট) জমির ওপর ৩৫টি জলবায়ু-সহনশীল দুইতলা ভবন নির্মাণ করেছে।
এ ছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (UNEP) অধীন ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন অ্যাকশন প্রজেক্টের আওতায় খুলনা ও কক্সবাজার জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে আর দুটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
ব্র্যাকের জলবায়ু পরিবর্তন কর্মসূচির প্রধান আবু সাদাত মনিরুজ্জামান খান বলেন, “আমরা এসব ভবনকে মিনি সাইক্লোন শেল্টার বলি।”
ঘণ্টায় ২৮০ কিলোমিটার (১৭৪ মাইল প্রতি ঘণ্টা) বেগের বাতাস ও জলোচ্ছ্বাস সহ্য করার উপযোগী করে নকশা করা হয়েছে এসব উঁচু কাঠামো। যা দুর্যোগের সময় ৪০ জন মানুষ ও তাদের গবাদিপশুকে আশ্রয় দিতে পারে।
কাঠের দরজা-জানালা ব্যবহার করা হয়েছে ঘরগুলোতে। দেয়াল নির্মাণে ব্যবহার হয়েছে সিরামিক এবং দেশীয় আদলে প্রক্রিয়াজাত পোড়ামাটির ইট। যা ভবনে লবণাক্ততাজনিত মরিচা প্রতিরোধে কার্যকর।
সাদাতের মতে, প্রতিটি ভবন নির্মাণে প্রায় ১০,০০০ ডলার খরচ হয়।
“ব্র্যাক এমন একটি উদাহরণ তৈরি করছে, যা অন্যান্যরা অনুসরণ করতে পারে,”- বলেন সাদাত। এছাড়া “নিজস্ব শ্রম বিনিয়োগ এবং স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াজাত উপকরণের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে খরচ আরো কমানো যেতে পারে”- মনে করেন তিনি।
ব্র্যাকের জলবায়ু-সহনশীল আবাসন মডেলটি ২০২২ সালে আগা খান আর্কিটেকচার পুরস্কারও জিতে নেয়।

পোড়ামাটির ইটের পরিবর্তে ফেরোকংক্রিট
প্রচলিত পোড়ামাটির ইট উৎপাদনের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে HBRC। কারণ এটি পরিবেশের ক্ষতি করে এবং বন উজাড়, বায়ুদূষণ ও গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের অন্যতম কারণ ইট ভাটা। প্রতিষ্ঠানটি ফেরোসিমেন্টভিত্তিক হালকা কাঠামো, বন্যা-সহনশীল খুঁটির ওপর নির্মিত ঘর এবং স্বল্প-কার্বন নিঃসরণ নির্মাণ প্রযুক্তির প্রচার করছে। ফেরোকংক্রিট সাধারণত এমন এক ধরনের নির্মাণ উপাদান, যেখানে লোহা কিংবা ইস্পাতের রড বা জাল দিয়ে কংক্রিটকে শক্তিশালী করা হয়।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বন্যা পুনরুদ্ধার প্রকল্প (UNDP-HBRC), কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের জন্য বহনযোগ্য আবাসন, এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী গ্রামীণ আবাসন মডেল: HBRC-এর উল্লেখযোগ্য প্রকল্প।
HBRC-এর সাদেক বলেন, “আমরা সহনশীল ঘর নির্মাণের কার্যকর বিকল্প হিসেবে ফেরোসিমেন্ট ব্যবস্থা, প্রকৌশলগত হালকা কংক্রিট ব্লক, কমপ্রেসড স্ট্যাবিলাইজড আর্থ ব্লক এবং উঁচু কাঠামোগত ব্যবস্থা সুপারিশ করি।”
ঢাকার পূর্বাচলে HBRC-এর ফিল্ড ল্যাবে অন্যান্য মডেলের পাশাপাশি একটি স্বনির্ভর উপকূলীয় মডেল ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। যা জলবায়ু-সহনশীল, টেকসই এবং জ্বালানি-সাশ্রয়ী।
HBRC-এর তথ্য অনুযায়ী, ৩২ দশমিক ৫ বর্গমিটার (৩৫০ বর্গফুট) জমির ওপর এই ঘর নির্মাণে খরচ হবে প্রায় চার লাখ টাকা (৩,২০০ ডলার)।

দরকার গ্রামীণ ভবন নির্মাণবিধি
যদিও প্রচলিত নির্মাণসামগ্রীর বিকল্প রয়েছে, সাদেক বলেন “সাংস্কৃতিক ও বাজার চাহিদার” কারণে এগুলোর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে না।
সাদেকের পর্যবেক্ষণ বলে, “পোড়ামাটির ইট ও প্রচলিত রিএনফোর্সড কংক্রিট মানুষের চিন্তায় গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে। মানুষের ধারণা, ভারী মানেই শক্তিশালী।”
তিনি আরও বলেন, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের মধ্যেও বিকল্প নির্মাণ সামগ্রী বিষয়ে অজ্ঞতা রয়েছে, বেশিরভাগের নেই হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ। আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এসব নিয়ে গবেষণাও সীমিত।
২০২৫ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্থানীয় ও টেকসই নির্মাণ সামগ্রীর নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করার ক্ষেত্রে, সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
গবেষণাটি আরও কিছু বিষয় সামনে নিয়ে আসে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী, নির্মাতা, স্থপতি, পরিকল্পনাবিদ, স্থানীয় বাসিন্দা ও নীতিনির্ধারকসহ জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মাত্র ২৮ শতাংশ জলবায়ু-সহনশীল নির্মাণচর্চা সম্পর্কে সচেতন।
সরকারি হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (HBRI) মহাপরিচালক মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন হায়দার আরেকটি বাধার কথা উল্লেখ করেন। তা হলো টেকসই নির্মাণ সামগ্রীর দুর্বল প্রচারণা।
তিনি বলেন, “যদিও HBRI টেকসই উপকরণ তৈরি করেছে, কিন্তু এসবের প্রচার ও প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণের জন্য প্রতিষ্ঠানটিতে পর্যাপ্ত জনবল নেই।” তিনি আরও বলেন, বিকল্প উপকরণে প্রশিক্ষিত দক্ষ রাজমিস্ত্রির অভাবও এটির বিস্তারে বাধা সৃষ্টি করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, টেকসই উপকরণ প্রচারের ক্ষেত্রে, নীতিমালা নিয়েই সবচেয়ে বড় ঘাটতি রয়েছে।
বর্তমানে জাতীয় ভবন নির্মাণবিধি মূলত শহরাঞ্চলে প্রযোজ্য। অথচ যেখানে অধিকাংশ জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী বাস করে, সেই গ্রামীণ অঞ্চলগুলো এর নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়ে গেছে।
ব্র্যাকের আবু সাদাত বলেন, “নির্দিষ্ট জলবায়ুগত দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলের জন্য, নির্দিষ্ট ঘর নির্মাণ নির্দেশিকা প্রয়োজন।” আর অনুষঙ্গ বাংলাদেশের মঈনুল বলেন, “বিভিন্ন ধরনের ঘরের জন্য, অঞ্চলভিত্তিক ভবন নির্মাণবিধি ও উপকরণের মানদণ্ড থাকা উচিত।”
গিয়াসউদ্দিন বলেন, টেকসই নির্মাণসামগ্রীর মান নির্ধারণের জন্য, HBRI-এর পক্ষ থেকে আরেকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনকে (BSTI) অনুরোধ করেও ব্যর্থ হয়েছেন তারা।
“তবে বিদেশি উন্নয়ন অংশীদারদের সহায়তায় HBRI একটি গ্রামীণ গৃহনির্মাণ নির্দেশিকা তৈরি করতে যাচ্ছে,”-বলেন গিয়াসউদ্দিন।
ব্যানার ছবি: শরীয়তপুর জেলায় ২০১৮ সালের বন্যার পর, অন্য জায়গায় বসতি স্থাপনের জন্য বিল্লাল হোসেন তার ঘর ভেঙে ইট সংগ্রহ করছেন। ছবি: মনিরুজ্জামান সজল
এই প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয় মঙ্গাবে গ্লোবাল-এ ২০২৬ এর ১৬ মার্চ।