<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/" xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/" >

	<channel>
		<title>সংরক্ষণের খবর</title>
		<atom:link href="https://bengali.mongabay.com/feed/?s=&#038;type=post&#038;topic=%25e0%25a6%259c%25e0%25a6%25b2%25e0%25a6%25ac%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25af%25e0%25a6%25bc%25e0%25a7%2581-%25e0%25a6%25aa%25e0%25a6%25b0%25e0%25a6%25bf%25e0%25a6%25ac%25e0%25a6%25b0%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25a4%25e0%25a6%25a8%25e0%25a7%2587%25e0%25a6%25b0-%25e0%25a6%25aa%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25b0%25e0%25a6%25ad%25e0%25a6%25be" rel="self" type="application/rss+xml" />
		<link>https://bengali.mongabay.com/list/জলবায়ু-পরিবর্তনের-প্রভা/</link>
		<description>পরিবেশ বিজ্ঞান ও সংরক্ষণ সংবাদ</description>
		<lastBuildDate>Mon, 07 Sep 2026 13:18:34 +0000</lastBuildDate>
		<language>bn-BD</language>
		<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
		<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<generator>https://wordpress.org/?v=7.0.4</generator>
				<item>
					<title>পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রভাবে, সংকটে বাংলাদেশের লবণ চাষিরা</title>
					<link>https://bengali.mongabay.com/2026/05/26/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://bengali.mongabay.com/2026/05/26/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a6%be/#respond</comments>
					<pubDate>26 মে 2026 13:32:42 +0000</pubDate>
											<dc:creator>
							<![CDATA[সিফায়াত উল্লাহ]]>
						</dc:creator>
										<author>
						<![CDATA[Abu Siddique]]>
					</author>
							<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
										<enclosure url="https://imgs.mongabay.com/wp-content/uploads/sites/38/2026/05/26132442/farmer-collects-mature-salt-768x512.jpg" type="image/jpeg" />
					<guid isPermaLink="false">https://bengali.mongabay.com/?p=596</guid>

					
											<locations>
							<![CDATA[এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, এবং বাংলাদেশ]]>
						</locations>
					
											<topic-tags>
							<![CDATA[খাদ্য, খাদ্য শিল্প, জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, জলবায়ু পরিবর্তন নীতি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, এবং পরিবেশ]]>
						</topic-tags>
					
					
											<description>
							<![CDATA[<p>কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার মৌলবীর গোনা গ্রামের বাসিন্দা নাসির উদ্দিন। এ বছর প্রায় ১ দশমিক ২ একর জমিতে লবণ চাষ করেছেন তিনি। এপ্রিলের মাঝামাঝিতে এক রাতের ভারি বৃষ্টিতে তার চাষের জমির প্রায় পুরোটাই ভেসে যায়। বংশপরম্পরায় লবণ চাষের সঙ্গে যুক্ত নাসিরের মত প্রায় সব লবণ চাষির কাছে এখন নতুন আতংক  অসময়ের বৃষ্টি। নাসির জানান, গত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://bengali.mongabay.com/2026/05/26/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a6%be/" data-wpel-link="internal">পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রভাবে, সংকটে বাংলাদেশের লবণ চাষিরা</a> appeared first on <a href="https://bengali.mongabay.com" data-wpel-link="internal">সংরক্ষণের খবর</a>.</p>
]]>
						</description>
																					<content:encoded>
							<![CDATA[কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার মৌলবীর গোনা গ্রামের বাসিন্দা নাসির উদ্দিন। এ বছর প্রায় ১ দশমিক ২ একর জমিতে লবণ চাষ করেছেন তিনি। এপ্রিলের মাঝামাঝিতে এক রাতের ভারি বৃষ্টিতে তার চাষের জমির প্রায় পুরোটাই ভেসে যায়। বংশপরম্পরায় লবণ চাষের সঙ্গে যুক্ত নাসিরের মত প্রায় সব লবণ চাষির কাছে এখন নতুন আতংক  অসময়ের বৃষ্টি। নাসির জানান, গত ১৫ এপ্রিলের বৃষ্টিতে তার প্রায় ১৮ মণ লবণ ধুয়ে যায়। পরদিনই দ্রুত মাঠে চলে যান তিনি। জমিতে পড়ে থাকা অবশিষ্ট লবণ, পানি ছেকে সংগ্রহ করতে চেষ্টা করেন নাসির। যে লবণকে আমরা খাবারের অনুসঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করি সেটি ধবধবে সাদা, তবে লবণের মাঠে এর চেহারা একদম আলাদা। প্রক্রিয়াজাতের আগের অবস্থায় লবণে থাকে প্রচুর বালু আর কাঁদা। নাসির জানান, “১৬ এপ্রিল লবণ তোলার কথা ছিল। তবে আগের দিনের বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেছে বেশিরভাগ লবণ।” এই বৃষ্টি এমন সময়ে হয়েছে, যখন সাধারণত উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। প্রায় ২৮ বছর ধরে লবণ চাষের সঙ্গে যুক্ত ৫৫ বছর বয়সী নাসির। বলেন, “আগে মার্চ-এপ্রিলে বৃষ্টি হতো না। তবে গত ৮ থেকে ১০ বছর ধরে এই সময়েও বৃষ্টি হচ্ছে, এমনকি শীতকাল ডিসেম্বর-জানুয়ারিতেও।” এই অনিয়মিত বৃষ্টির কারণে নাসিরের মতো উপকূলীয় অঞ্চলের হাজারো লবণচাষি এখন একই ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছেন।  কারণ বৃষ্টিতে ব্যাহত হচ্ছে  উৎপাদন। সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এক লবণচাষি ডালিতে করে লবণ আনা-নেয়া করছেন। ছবি: সিফায়াত উল্লাহ। পরিবর্তিত আবহাওয়ায় সরাসরি ভুগছে কৃষক লবণচাষ দেশের অন্যতম বড় মৌসুমি আয়ের উৎস। চলতি মৌসুমে কক্সবাজার সদর, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, চকরিয়া, পেকুয়া, ঈদগাঁও ও টেকনাফ উপজেলা এবং চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ২৭ হাজার ৫২০ হেক্টর (৬৮ হাজার একর) জমিতে লবণচাষ হয়েছে। এই খাতে সরাসরি যুক্ত রয়েছেন ৪০ হাজারের বেশি কৃষক।&hellip;This article was originally published on <a href="https://bengali.mongabay.com/2026/05/26/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a6%be/" data-wpel-link="internal">Mongabay</a>]]>
						</content:encoded>
										<wfw:commentRss>https://bengali.mongabay.com/2026/05/26/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ad%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
					<slash:comments>0</slash:comments>
														</item>
						<item>
					<title>লবণাক্ততার সঙ্গে উপকূলের কৃষকদের লড়াই, চিংড়ি ছেড়ে ফিরছেন কৃষিতে</title>
					<link>https://bengali.mongabay.com/2024/10/08/%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://bengali.mongabay.com/2024/10/08/%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
					<pubDate>08 অক্টো. 2024 10:57:59 +0000</pubDate>
											<dc:creator>
							<![CDATA[সাদিকুর রহমান]]>
						</dc:creator>
										<author>
						<![CDATA[Abu Siddique]]>
					</author>
							<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
										<enclosure url="https://imgs.mongabay.com/wp-content/uploads/sites/38/2025/08/22105707/Sin-titulo-1-768x512.jpg" type="image/jpeg" />
					<guid isPermaLink="false">https://bd.mongabaydev.wpengine.com/?p=84</guid>

					
											<locations>
							<![CDATA[এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, এবং বাংলাদেশ]]>
						</locations>
					
											<topic-tags>
							<![CDATA[উপকূলীয় প্রতিবেশ, কৃষি, গোষ্ঠী ভিত্তিক সংরক্ষণ, চাষ, জনগোষ্ঠী উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে জলজ প্রাণীর চাষ, পরিবেশ, প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার, ভূমিরূপ পুনরুদ্ধার, মহাসাগর, সংরক্ষণ, এবং সামুদ্রিক প্রাণী]]>
						</topic-tags>
					
					
											<description>
							<![CDATA[<p>সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক শেখ সিরাজুল ইসলাম, এ বছরের আগস্টে তার চার একর জমিতে আমন ধান রোপণ করেছেন। ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি। দুই দশক বন্ধ রাখার পর, দুই বছর আগে আবার ধান চাষ শুরু করেন তিনি। মাঝের এই সময়টিতে সিরাজুল বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষ করতেন। প্রথম দিকে যা লাভজনক বলে মনে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://bengali.mongabay.com/2024/10/08/%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0/" data-wpel-link="internal">লবণাক্ততার সঙ্গে উপকূলের কৃষকদের লড়াই, চিংড়ি ছেড়ে ফিরছেন কৃষিতে</a> appeared first on <a href="https://bengali.mongabay.com" data-wpel-link="internal">সংরক্ষণের খবর</a>.</p>
]]>
						</description>
																					<content:encoded>
							<![CDATA[সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক শেখ সিরাজুল ইসলাম, এ বছরের আগস্টে তার চার একর জমিতে আমন ধান রোপণ করেছেন। ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি। দুই দশক বন্ধ রাখার পর, দুই বছর আগে আবার ধান চাষ শুরু করেন তিনি। মাঝের এই সময়টিতে সিরাজুল বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষ করতেন। প্রথম দিকে যা লাভজনক বলে মনে করেছিলেন তিনি। তবে ধীরে ধীরে লোকসানের হার বাড়তে থাকে। ৫৩ বছর বয়সী এই কৃষক, যার পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ধান চাষ করে এসেছে, আবার ফিরে আসেন কৃষিতে । সিরাজুল মঙ্গাবে-কে বলেন, ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চিংড়ি উৎপাদন কমিয়ে দেয়, আর অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে ঘেরের চারদিকের মাটিতেও ফলেনা অন্য ফসল। তার মতো অনেক প্রান্তিক কৃষক, বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলায়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব; সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ও তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় পুরোনো পছন্দ কৃষিকে আবার বেছে নিচ্ছেন তারা। আগে শুধু সারা বছর ওই একবার চিংড়ি চাষ করতেন, এর বদলে এখন তারা ভরা বর্ষা মৌসুমে আমন ধান, আর শুষ্ক মৌসুমে তরমুজ, ভুট্টা, সূর্যমুখী ও সরিষার মতো তেলবীজ ছাড়াও নানা সবজি, বোরো ধান ও অন্যান্য ফসল ফলাচ্ছেন। পলিমাটির জমিনের সর্বোচ্চ ব্যবহার করছেন তারা। “যেখানে আগে বেশি লবণাক্ততা ছিল, এখন বর্ষায় সেই জমিতেই ধান আর শুষ্ক মৌসুমে সবজি কিংবা ফল চাষ করি”- বলেন সিরাজুল। কয়েক বছর আগে, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষক আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে একটি গবেষণা পরিচালনা করা হয় উপকূল এলাকায়। উপকূলে চিংড়ি থেকে কৃষিভিত্তিক চাষবাসে রূপান্তর ছিলো গবেষণার বিষয়। হারুন লক্ষ্য করেন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা আর আগের মতো নদী থেকে জোয়ার-ভাটার লবণাক্ত পানি ঘেরে ঢুকতে দিচ্ছেন না। “লবণাক্ততা ঠেকিয়ে তারা নিজেদের জন্য ফসল উৎপাদন&hellip;This article was originally published on <a href="https://bengali.mongabay.com/2024/10/08/%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0/" data-wpel-link="internal">Mongabay</a>]]>
						</content:encoded>
										<wfw:commentRss>https://bengali.mongabay.com/2024/10/08/%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
					<slash:comments>0</slash:comments>
														</item>
						<item>
					<title>বাংলাদেশের লবণাক্ত জমিতে বিকল্প কৃষি হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখী</title>
					<link>https://bengali.mongabay.com/2024/01/31/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://bengali.mongabay.com/2024/01/31/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87/#respond</comments>
					<pubDate>31 জানু. 2024 14:41:21 +0000</pubDate>
											<dc:creator>
							<![CDATA[ফারহানা পারভীন]]>
						</dc:creator>
										<author>
						<![CDATA[Abu Siddique]]>
					</author>
							<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
										<enclosure url="https://imgs.mongabay.com/wp-content/uploads/sites/38/2025/09/03143725/sunflowers-1-768x512.jpg" type="image/jpeg" />
					<guid isPermaLink="false">https://bd.mongabaydev.wpengine.com/?p=104</guid>

					
											<locations>
							<![CDATA[এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, এবং বাংলাদেশ]]>
						</locations>
					
											<topic-tags>
							<![CDATA[কৃষি, খাদ্য, খাদ্য শিল্প, খাদ্য সংকট, চাষ, জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ, ভূমিরূপ ধ্বংস, শস্য, শাসন প্রক্রিয়া, এবং সংরক্ষণ]]>
						</topic-tags>
					
					
											<description>
							<![CDATA[<p>ধান, গম, ভুট্টা, পাটসহ নানান শাকসবজি চাষ হওয়া বাংলাদেশ মূলত কৃষিনির্ভর একটি দেশ। উল্লিখিত ফসলগুলো দেশটির কৃষকদের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয়। এসব ফসল কেবল যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তা নয়। দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে এদের। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং মানবসৃষ্ট নানা কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিশাল আবাদযোগ্য জমি লবণাক্ত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://bengali.mongabay.com/2024/01/31/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87/" data-wpel-link="internal">বাংলাদেশের লবণাক্ত জমিতে বিকল্প কৃষি হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখী</a> appeared first on <a href="https://bengali.mongabay.com" data-wpel-link="internal">সংরক্ষণের খবর</a>.</p>
]]>
						</description>
																					<content:encoded>
							<![CDATA[ধান, গম, ভুট্টা, পাটসহ নানান শাকসবজি চাষ হওয়া বাংলাদেশ মূলত কৃষিনির্ভর একটি দেশ। উল্লিখিত ফসলগুলো দেশটির কৃষকদের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয়। এসব ফসল কেবল যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তা নয়। দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে এদের। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং মানবসৃষ্ট নানা কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিশাল আবাদযোগ্য জমি লবণাক্ত হয়ে পড়ছে। শুষ্ক মৌসুমে (নভেম্বর থেকে মে পর্যন্ত) এ অঞ্চলের জমি অনুর্বর অবস্থায় পড়ে থাকে। কারণ, প্রচলিত ফসলগুলো লবনাক্ত জমিতে ফলানো সম্ভব হয় না। এ সংকট নিরসনে তাই সরকার ও বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও’র সহায়তায় বিকল্প ফসল হিসেবে, সূর্যমুখী চাষ শুরু করেছেন উপকূলীয় কৃষকরা। সূর্যমুখী লবণাক্ততা সহনশীল ও দ্রুত বর্ধনশীল একটি ফসল হওয়ায়, এটির চাষ কৃষকদেরকে স্থিতিশীল আয়ের সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। গত শুষ্ক মৌসুমে উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালির কৃষক অসীম চন্দ্র শিখরী প্রায় ৩ একর জমিতে প্রথমবারের মতো সূর্যমুখী চাষ করেন। তিনি জানান, “সূর্যমুখী চাষের আগে, শুষ্ক মৌসুমে আমি দীর্ঘদিন কিছুই ফলাতে পারিনি। এবার প্রায় ৭৫ মণ (১ মণ = ৩৭ দশমিক ৩ কেজি বা ৮২ দশমিক ২ পাউন্ড) সূর্যমুখী উৎপাদন করেছি। এতে আমার প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা আয় হয়েছে।” সূর্যমুখী চাষে সাফল্যের মুখ দেখা অসীম তাই চলতি ২০২৩-২৪ মৌসুমে প্রায় ৯ একর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করছেন। তার দেখাদেখি, আশপাশের ১৩০ জন কৃষকও প্রায় ১০০ একর জমিতে সূর্যমুখী চাষ শুরু করেছেন। অসীম মঙ্গাবে-কে বলেন, লবাণক্ত জমিতে তিনি ধান রোপণের চেষ্টা করলেও তা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তরমুজ, মুগডাল বা অন্যান্য ডাল জাতীয় ফসল রোপণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। স্থানীয় মানুষ শুষ্ক মৌসুমে এসব জমিকে ‘অগুন মাটি’ বলে ডাকত। কারণ সেখানে কিছুই জন্মাত না। অথচ&hellip;This article was originally published on <a href="https://bengali.mongabay.com/2024/01/31/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87/" data-wpel-link="internal">Mongabay</a>]]>
						</content:encoded>
										<wfw:commentRss>https://bengali.mongabay.com/2024/01/31/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
					<slash:comments>0</slash:comments>
														</item>
						<item>
					<title>জলবায়ু ও অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে সম্ভাবনাময় সজনের চাষ</title>
					<link>https://bengali.mongabay.com/2024/01/22/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f/</link>
					<comments>https://bengali.mongabay.com/2024/01/22/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f/#respond</comments>
					<pubDate>22 জানু. 2024 10:27:13 +0000</pubDate>
											<dc:creator>
							<![CDATA[আবু সিদ্দিক]]>
						</dc:creator>
										<author>
						<![CDATA[Abu Siddique]]>
					</author>
							<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
										<enclosure url="https://imgs.mongabay.com/wp-content/uploads/sites/38/2025/09/04095014/Bangladesh-moringa-1-768x512.jpg" type="image/jpeg" />
					<guid isPermaLink="false">https://bd.mongabaydev.wpengine.com/?p=107</guid>

					
											<locations>
							<![CDATA[এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, এবং বাংলাদেশ]]>
						</locations>
					
											<topic-tags>
							<![CDATA[ঔষধি গাছ, কৃষি, কৃষি প্রতিবেশ, খাদ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, গাছপালা, চাষ, জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ, প্রকৃতি-ভিত্তিক জলবায়ু সমাধান, বৃক্ষ, লোকায়ত জ্ঞান, এবং স্বাস্থ্য]]>
						</topic-tags>
					
					
											<description>
							<![CDATA[<p>বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল সজনের বাজারে ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে বাংলাদেশ। পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং জলবায়ু পরিবর্তনের যুগে সম্ভাবনাময় এই গাছ এখন শুধু খাবারের উপকরণ হিসেবেই নয়, হয়ে উঠছে অর্থনৈতিক ও পরিবেশবান্ধব সমাধানও। খরা-সহনশীল ও দ্রুতবর্ধনশীল গাছ সজনে (Moringa oleifera) দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের আদি উদ্ভিদ। বর্তমানে এটি উষ্ণমণ্ডলীয় ও উপ-উষ্ণমণ্ডলীয় বহু দেশে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://bengali.mongabay.com/2024/01/22/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f/" data-wpel-link="internal">জলবায়ু ও অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে সম্ভাবনাময় সজনের চাষ</a> appeared first on <a href="https://bengali.mongabay.com" data-wpel-link="internal">সংরক্ষণের খবর</a>.</p>
]]>
						</description>
																					<content:encoded>
							<![CDATA[বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল সজনের বাজারে ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে বাংলাদেশ। পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং জলবায়ু পরিবর্তনের যুগে সম্ভাবনাময় এই গাছ এখন শুধু খাবারের উপকরণ হিসেবেই নয়, হয়ে উঠছে অর্থনৈতিক ও পরিবেশবান্ধব সমাধানও। খরা-সহনশীল ও দ্রুতবর্ধনশীল গাছ সজনে (Moringa oleifera) দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের আদি উদ্ভিদ। বর্তমানে এটি উষ্ণমণ্ডলীয় ও উপ-উষ্ণমণ্ডলীয় বহু দেশে ব্যাপকভাবে চাষ হচ্ছে। ভরপুর খনিজ উপাদান এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, সজনে গাছের পাতা ও ফুল। গবেষকদের মতে, মানবদেহের জন্য বিশেষভাবে উপকারী সজনে পাতা। বাংলাদেশে ২০১৭ সাল থেকে সজনে চাষকে ঘিরে শুরু হয়েছে সামাজিক আন্দোলন ও উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ। রাজীব পারভেজ রাজু নামে এক উদ্যোক্তা দেশের ২০টি জেলায় কমিউনিটি ফার্মিং, কন্ট্রাক্ট ফার্মিং ও হোমস্টেড মডেলে অর্থাৎ বাড়ির আশপাশের পতিত জমিতে সজনে চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করছেন। বাংলাদেশি কৃষকরা এখন ক্রমেই সজনে চাষের দিকে ঝুঁকছেন। দ্রুত বাড়তে থাকা বৈশ্বিক বাজারে পুষ্টিগুণ ও জলবায়ু সংকট সমাধান হিসেবে গাছটি পাচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব। ছবি: GT Moringa. GT Moringa Ltd এর প্রধান নির্বাহী রাজীব পারভেজ রাজু বলেন, “২০০৪ সাল থেকে আমি মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, সজনে চাষ কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এর অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যগত সুবিধা কতটা বিস্তৃত। ২০১৭ সাল থেকে এ উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার করে বিশেষভাবে প্রক্রিয়াজাত নানাবিধ পণ্য উদ্ভাবনের চেষ্টা করি। অবশেষে ২০২২ সালে, বিনিয়োগকারীদের সহায়তায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। তিনি আরও জানান, দেশের ২০টি জেলার প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক এরইমধ্যে সজনে চাষ করছেন। বাজারের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদিত পাতা বিক্রি করছেন তারা। তা দিয়ে আবার তৈরি হচ্ছে সজনে গুঁড়ো, কুকিজ ও প্রসাধনী। অবশ্য সজনে চাষে কৃষকদের মূল আগ্রহ এসেছে, পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে বাড়তি আয় করার&hellip;This article was originally published on <a href="https://bengali.mongabay.com/2024/01/22/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f/" data-wpel-link="internal">Mongabay</a>]]>
						</content:encoded>
										<wfw:commentRss>https://bengali.mongabay.com/2024/01/22/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f/feed/</wfw:commentRss>
					<slash:comments>0</slash:comments>
														</item>
						<item>
					<title>বাংলাদেশের পাহাড়ে ফের দেখা মিলছে পুটিটরের</title>
					<link>https://bengali.mongabay.com/2024/01/19/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://bengali.mongabay.com/2024/01/19/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/#respond</comments>
					<pubDate>19 জানু. 2024 09:36:02 +0000</pubDate>
											<dc:creator>
							<![CDATA[রফিকুল ইসলাম]]>
						</dc:creator>
										<author>
						<![CDATA[Abu Siddique]]>
					</author>
							<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
										<enclosure url="https://imgs.mongabay.com/wp-content/uploads/sites/38/2025/10/03095105/Bangladesh-fish-1-768x512.jpg" type="image/jpeg" />
					<guid isPermaLink="false">https://bd.mongabaydev.wpengine.com/?p=233</guid>

					
											<locations>
							<![CDATA[এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, এবং বাংলাদেশ]]>
						</locations>
					
											<topic-tags>
							<![CDATA[অতিরিক্ত মৎস সম্পদ আহরণ, আদিবাসী গোষ্ঠী, আদিবাসী জনগোষ্ঠী, আদিবাসী সংস্কৃতি, খাদ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, খাদ্য সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, নদ-নদী, পরিবেশ, পরিবেশ আইন, প্রাকৃতিক সম্পদ, প্রাকৃতিক সম্পদের সংঘাত, মাছ, মাছ ধরা, মিঠাপানির প্রতিবেশ, মিঠাপানির মাছ, শাসন প্রক্রিয়া, সংরক্ষণ, এবং সংরক্ষণ কৌশল]]>
						</topic-tags>
					
					
											<description>
							<![CDATA[<p>লিকা চাকমা, বয়স ৩৭, এখনো মনে করতে পারেন খাগড়াছড়ির দিঘলছড়ি হাজাছড়া এলাকার শৈশবের সেই দিনগুলো, যখন ঝর্নাগুলো সারা বছর ধরে প্রবাহিত হতো। এই জলাধারগুলো শুধু ওই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকাই নয়, টিকিয়ে রাখতো নানা ধরনের মাছ ও জলজ প্রাণী। পুটিটর মাহশীর মাছের কথা উল্লেখ করে লিকা আরো বলেন, এক সময় গ্রামের ঝর্নাগুলোতে প্রচুর পরিমাণে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://bengali.mongabay.com/2024/01/19/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/" data-wpel-link="internal">বাংলাদেশের পাহাড়ে ফের দেখা মিলছে পুটিটরের</a> appeared first on <a href="https://bengali.mongabay.com" data-wpel-link="internal">সংরক্ষণের খবর</a>.</p>
]]>
						</description>
																					<content:encoded>
							<![CDATA[লিকা চাকমা, বয়স ৩৭, এখনো মনে করতে পারেন খাগড়াছড়ির দিঘলছড়ি হাজাছড়া এলাকার শৈশবের সেই দিনগুলো, যখন ঝর্নাগুলো সারা বছর ধরে প্রবাহিত হতো। এই জলাধারগুলো শুধু ওই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকাই নয়, টিকিয়ে রাখতো নানা ধরনের মাছ ও জলজ প্রাণী। পুটিটর মাহশীর মাছের কথা উল্লেখ করে লিকা আরো বলেন, এক সময় গ্রামের ঝর্নাগুলোতে প্রচুর পরিমাণে এই মাছ পাওয়া যেত। বিপন্ন প্রজাতির এই মাছটির বিচরণ দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশেই। এমনকি পাকিস্তানে এটি জাতীয় মাছ হিসেবেও স্বীকৃত। তবে যখন থেকে বন ধ্বংস এবং ঝর্নার তলদেশ থেকে পাথর তোলা শুরু করেন স্থানীয়রা, তখন থেকেই হারিয়ে যেতে থাকে পুটিটর মাহশীর। ঝর্নাগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় মাছটির জন্য উপযুক্ত আবাসস্থল প্রায় নেই বললেই চলে। জলবায়ু পরিবর্তন পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলছে। ২০১৬ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্ষাকালে স্বাভাবিকের চেয়ে মোট বৃষ্টিপাত বেড়েছে, কিন্তু শুষ্ক মৌসুমে তা আরো কমে গেছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ঝরনাগুলো প্রবাহিত থাকলেও, সারা বছর প্রবাহমান এসব জলাধার বছরের বাকি সময় শুকিয়ে যেতে থাকে। দেবরমাথা ঝর্নায় সোনালি পুটিটর মাছের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য মাছটি ধরে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়। ছবি: রফিকুল ইসলাম “যখন আমরা বন থেকে গাছ কাটা এবং ঝরনা-ছড়া থেকে পাথর নেওয়া শুরু করলাম, তখন থেকেই ধীরে ধীরে ঝর্নাগুলো আর পর্যাপ্ত পানি দিতে পারছিলোনা,” জানান লিকা। “এক পর্যায়ে, শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রাকৃতিক উৎসগুলো শুকিয়ে যায়, ফলে বিলুপ্ত হয়ে যায় মাছের বেশ কিছু প্রজাতি।” লিকাসহ স্থানীয়দের অনেকে প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। তারা ইউএসএআইডির অর্থায়নে ‘সিএইচটি ওয়াটারশেড কো-ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্টিভিটি’ প্রকল্পের অধীনে সংরক্ষণ স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছেন। এর মাধ্যমে তারা বিপন্ন মাছের প্রজাতি বিশেষ করে পুটিটর মাহশীরকে আবার এলাকার জলাধারগুলোতে ফিরিয়ে আনার&hellip;This article was originally published on <a href="https://bengali.mongabay.com/2024/01/19/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/" data-wpel-link="internal">Mongabay</a>]]>
						</content:encoded>
										<wfw:commentRss>https://bengali.mongabay.com/2024/01/19/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
					<slash:comments>0</slash:comments>
														</item>
						<item>
					<title>সাগর শৈবাল: বাংলাদেশে অপ্রচলিত খাতটির অর্থনৈতিক সম্ভাবনা</title>
					<link>https://bengali.mongabay.com/2023/10/10/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%88%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://bengali.mongabay.com/2023/10/10/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%88%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a7%8d/#respond</comments>
					<pubDate>10 অক্টো. 2023 14:00:10 +0000</pubDate>
											<dc:creator>
							<![CDATA[ফারহানা পারভীন]]>
						</dc:creator>
										<author>
						<![CDATA[Abu Siddique]]>
					</author>
							<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
										<enclosure url="https://imgs.mongabay.com/wp-content/uploads/sites/38/2025/09/17135840/166ba17a-f15b-4c82-bf09-c14449c677c1-768x512.jpg" type="image/jpeg" />
					<guid isPermaLink="false">https://bd.mongabaydev.wpengine.com/?p=138</guid>

					
											<locations>
							<![CDATA[এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, এবং বাংলাদেশ]]>
						</locations>
					
											<topic-tags>
							<![CDATA[উপকূলীয় প্রতিবেশ, কৃষি, কৃষি প্রতিবেশ, খাদ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, খাদ্য শিল্প, খাদ্য সংকট, গোষ্ঠী ভিত্তিক সংরক্ষণ, চাষ, জনগোষ্ঠী উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, পরিবেশ, মহাসাগর, সংরক্ষণ, সামুদ্রিক, এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য]]>
						</topic-tags>
					
					
											<description>
							<![CDATA[<p>সি-উইড বা সাগর শৈবাল, যা নদী ও সাগরের তলদেশে জন্মানো এক ধরনের জলজ উদ্ভিদ। সাধারণত স্থানীয় আদিবাসীদের খাদ্যাভ্যাসে এটি সাংস্কৃতিকভাবেই যুক্ত। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিছু শহুরে রেস্তোঁরাতেও সালাদ, রান্না করা সবজি, মাছের তরকারি এবং মাংসের পদে ব্যবহার হচ্ছে এই  শৈবাল। এছাড়াও, বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত এই জলজ সম্পদ পূর্ব এশিয়ার দেশ যেমন চীন, জাপান ও কোরিয়ায় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://bengali.mongabay.com/2023/10/10/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%88%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a7%8d/" data-wpel-link="internal">সাগর শৈবাল: বাংলাদেশে অপ্রচলিত খাতটির অর্থনৈতিক সম্ভাবনা</a> appeared first on <a href="https://bengali.mongabay.com" data-wpel-link="internal">সংরক্ষণের খবর</a>.</p>
]]>
						</description>
																					<content:encoded>
							<![CDATA[সি-উইড বা সাগর শৈবাল, যা নদী ও সাগরের তলদেশে জন্মানো এক ধরনের জলজ উদ্ভিদ। সাধারণত স্থানীয় আদিবাসীদের খাদ্যাভ্যাসে এটি সাংস্কৃতিকভাবেই যুক্ত। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিছু শহুরে রেস্তোঁরাতেও সালাদ, রান্না করা সবজি, মাছের তরকারি এবং মাংসের পদে ব্যবহার হচ্ছে এই  শৈবাল। এছাড়াও, বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত এই জলজ সম্পদ পূর্ব এশিয়ার দেশ যেমন চীন, জাপান ও কোরিয়ায় খাদ্য-শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয়। দেশ-বিদেশে সাগর শৈবালের ক্রমাগত চাহিদা বিবেচনা করে, বাংলাদেশ সম্প্রতি তার সমুদ্র অর্থনীতি (ব্লু ইকোনোমি) সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এই জলজ উদ্ভিদের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামুদ্রিক সম্পদ বিষয়ক ইউনিট এমএইউ এবং নেদারল্যান্ডসের একটি জরিপে বঙ্গোপসাগরে কয়েকশ প্রজাতির সাগর শৈবালের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই শৈবাল বায়োকেমিক্যাল, ফার্মাসিউটিক্যাল এবং প্রসাধনী শিল্পের কাঁচামাল তৈরিতে সাহায্য করে। তাই বাংলাদেশে এর একটি ভালো বাজারও আছে। আনুমানিকভাবে যার মূল্য প্রায় ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে সঠিক নীতি ও বিধিমালা না থাকায় দেশে সাগর শৈবাল চাষ ও ব্যবসা তেমন পরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠেনি এখনো। দেশ ও দেশের বাইরে শৈবালের চাহিদা বিবেচনা করে, বাংলাদেশ সম্প্রতি তার ব্লু ইকোনমি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এই জলজ উদ্ভিদের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। ছবি: খায়রুল আলম। বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী খায়রুল আলম বলেন, “বাংলাদেশে সাগর শৈবাল চাষ নতুন হলেও সময়োপযোগী, আর এর চাষ পদ্ধতি তুলনামূলকভাবে সহজ। আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলগুলো, বিশেষ করে সেইন্ট মার্টিন দ্বীপ এবং কক্সবাজার জেলার সমুদ্রতীরের মাটি ও পানি, সাগর শৈবাল চাষের জন্য খুবই উপযুক্ত।” “উপকূলে বসবাসরত স্থানীয়রা সাগর শৈবাল চাষ করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ আছে এই খাতে। এছাড়া সাগর শৈবাল ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়, কারণ এটি অনেক রোগ নিরাময় করতে সক্ষম,” জানান খায়রুল।&hellip;This article was originally published on <a href="https://bengali.mongabay.com/2023/10/10/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%88%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a7%8d/" data-wpel-link="internal">Mongabay</a>]]>
						</content:encoded>
										<wfw:commentRss>https://bengali.mongabay.com/2023/10/10/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%88%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
					<slash:comments>0</slash:comments>
														</item>
						<item>
					<title>চরম তাপমাত্রা ও অনিয়মিত আবহাওয়ায় সংকটের মুখে রাজশাহীর রেশম শিল্প</title>
					<link>https://bengali.mongabay.com/2023/06/26/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://bengali.mongabay.com/2023/06/26/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4/#respond</comments>
					<pubDate>26 জুন 2023 11:59:02 +0000</pubDate>
											<dc:creator>
							<![CDATA[আবু সিদ্দিক]]>
						</dc:creator>
										<author>
						<![CDATA[Abu Siddique]]>
					</author>
							<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
										<enclosure url="https://imgs.mongabay.com/wp-content/uploads/sites/38/2025/10/07125712/Bangladeshi-silkworm-farmers-1-768x512.jpg" type="image/jpeg" />
					<guid isPermaLink="false">https://bd.mongabaydev.wpengine.com/?p=260</guid>

					
					
											<topic-tags>
							<![CDATA[আবহাওয়া, কৃষি, জলবায়ু, জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, পরিবেশ, এবং ব্যবসা]]>
						</topic-tags>
					
					
											<description>
							<![CDATA[<p>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা সংকটের মুখে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে রাজশাহীর রেশম শিল্প। আমদানিকৃত কম দামের সুতার ওপর নির্ভরশীলতা, বিখ্যাত এ রেশম শিল্পের সংকটগুলোর মধ্যে অন্যতম। এছাড়া সম্প্রতি অনিয়মিত আবহাওয়া পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলছে। অনিয়মিত আবহাওয়ার প্রভাবে স্থানীয় তুঁত ও রেশম পোকা উৎপাদনকারীরা, উৎপাদনের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগের সম্মুখীন হচ্ছেন। এ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://bengali.mongabay.com/2023/06/26/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4/" data-wpel-link="internal">চরম তাপমাত্রা ও অনিয়মিত আবহাওয়ায় সংকটের মুখে রাজশাহীর রেশম শিল্প</a> appeared first on <a href="https://bengali.mongabay.com" data-wpel-link="internal">সংরক্ষণের খবর</a>.</p>
]]>
						</description>
																					<content:encoded>
							<![CDATA[সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা সংকটের মুখে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে রাজশাহীর রেশম শিল্প। আমদানিকৃত কম দামের সুতার ওপর নির্ভরশীলতা, বিখ্যাত এ রেশম শিল্পের সংকটগুলোর মধ্যে অন্যতম। এছাড়া সম্প্রতি অনিয়মিত আবহাওয়া পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলছে। অনিয়মিত আবহাওয়ার প্রভাবে স্থানীয় তুঁত ও রেশম পোকা উৎপাদনকারীরা, উৎপাদনের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগের সম্মুখীন হচ্ছেন। এ সমস্ত কারণে হ্রাস পাচ্ছে রেশম উৎপাদনের হার। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের আবহাওয়া এবং রেশমপোকা পালনের প্রচলিত পদ্ধতিই রেশম পোকায় ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস আক্রমণের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। সেইসঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে রেশম উৎপাদকদের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ছে। গবেষণার সহ-লেখক কামরুল আহসান জানান, Bombyx mori L প্রাকৃতিক রেশম আঁশ তৈরিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোকা। পরিবেশের প্রভাব সরাসরি এর বৃদ্ধি ও বিকাশে পড়ে। এই পোকার ওপর নানা রোগ ও পোকামাকড়েরও আক্রমণ হয়। ফলে পোকাগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজেই সংক্রমিত হয়। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বছরে চারটি মৌসুমে রেশমপোকা পালন করেন উৎপাদনকারীরা। এই মৌসুমগুলো হলো— ভাদ্র (আগস্ট-সেপ্টেম্বর), অগ্রহায়ণ (নভেম্বর-ডিসেম্বর), চৈত্র (মার্চ-এপ্রিল) এবং জ্যৈষ্ঠ (মে-জুন)। এর মধ্যে জ্যৈষ্ঠ ও ভাদ্র মৌসুমে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা চরমে পৌঁছায়। ফলে রেশম পোকার গড় উৎপাদন প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ কমে যায়। বাংলাদেশে গ্রীষ্ম মৌসুম সাধারণত এপ্রিল মাসে শুরু হয়ে অক্টোবর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ভালো মানের সুতা উৎপাদন ও লার্ভার সঠিক বৃদ্ধির জন্য আদর্শ তাপমাত্রা হলো, প্রায় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৭৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট)। এর সঙ্গে প্রয়োজন উপযুক্ত আর্দ্রতা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা সংকটের মুখে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে রাজশাহীর রেশম শিল্প। আমদানিকৃত কম দামের সুতার ওপর নির্ভরশীলতা, বিখ্যাত এ শিল্পের সংকটগুলোর মধ্যে অন্যতম। ছবি: মো আবু হানিফ। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই অঞ্চলে গরমের&hellip;This article was originally published on <a href="https://bengali.mongabay.com/2023/06/26/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4/" data-wpel-link="internal">Mongabay</a>]]>
						</content:encoded>
										<wfw:commentRss>https://bengali.mongabay.com/2023/06/26/%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
					<slash:comments>0</slash:comments>
														</item>
						<item>
					<title>বাংলাদেশে বন্যাকবলিত এলাকায়  উঁচু ভিটার বাড়িঘরই নিরাপদ আশ্রয়</title>
					<link>https://bengali.mongabay.com/2022/08/02/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://bengali.mongabay.com/2022/08/02/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%be/#respond</comments>
					<pubDate>02 আগস্ট 2022 14:37:07 +0000</pubDate>
											<dc:creator>
							<![CDATA[আবু সিদ্দিক]]>
						</dc:creator>
										<author>
						<![CDATA[Abu Siddique]]>
					</author>
							<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
										<enclosure url="https://imgs.mongabay.com/wp-content/uploads/sites/38/2025/09/29143254/Bangladesh-raised-houses-1-768x512.jpg" type="image/jpeg" />
					<guid isPermaLink="false">https://bd.mongabaydev.wpengine.com/?p=174</guid>

					
					
											<topic-tags>
							<![CDATA[চরম আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জলবায়ু মডেল, দ্বীপ, নদ-নদী, পরিবেশ, এবং বন্যা]]>
						</topic-tags>
					
					
											<description>
							<![CDATA[<p>৪৯ বছর বয়সী হামিদ আলী তার সারা জীবনে অন্তত আটবার ঘরবাড়ি বদলেছেন। প্রতিবার কারণ ছিল  একই-কুড়িগ্রাম জেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর চরে ভাঙন। আশির দশকের শুরুতে অষ্টমীর চর পুরোপুরি ডুবে যায়। তখন হামিদ আলীসহ সেখানকার বাসিন্দারা চলে যান আরেক চর, নটাকান্দিতে। ১৯৯০ দশকের শেষ দিকে অষ্টমীর চর আবার জেগে ওঠে পানির ওপর। তখন তারা আবার ফিরে যান [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://bengali.mongabay.com/2022/08/02/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%be/" data-wpel-link="internal">বাংলাদেশে বন্যাকবলিত এলাকায়  উঁচু ভিটার বাড়িঘরই নিরাপদ আশ্রয়</a> appeared first on <a href="https://bengali.mongabay.com" data-wpel-link="internal">সংরক্ষণের খবর</a>.</p>
]]>
						</description>
																					<content:encoded>
							<![CDATA[৪৯ বছর বয়সী হামিদ আলী তার সারা জীবনে অন্তত আটবার ঘরবাড়ি বদলেছেন। প্রতিবার কারণ ছিল  একই-কুড়িগ্রাম জেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর চরে ভাঙন। আশির দশকের শুরুতে অষ্টমীর চর পুরোপুরি ডুবে যায়। তখন হামিদ আলীসহ সেখানকার বাসিন্দারা চলে যান আরেক চর, নটাকান্দিতে। ১৯৯০ দশকের শেষ দিকে অষ্টমীর চর আবার জেগে ওঠে পানির ওপর। তখন তারা আবার ফিরে যান সেখানে। এরপর থেকে হামিদ আলী পরিবার নিয়ে অষ্টমীর চরেই বসবাস করছেন, তার চাষের জমির পরিমাণ আধা একরেরও কম। ন্যাশনাল চর অ্যালায়েন্সের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় এক কোটি মানুষ নদী ও উপকূলের ১০৯টি চরে বসবাস করে, যেগুলো প্রতি বছরই থাকে বন্যার ঝুঁকিতে। বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৩২টিতে মোট জমির প্রায় ১০ শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত এই চরগুলো। চরের বাসিন্দারা সাধারণত নিজেদের বাড়ির চারপাশের জমিতে আবাদ করে। ছবি: আবু সিদ্দিক চরবাসীদের মধ্যে বেশিরভাগই দরিদ্র। তুলনামূলক সচ্ছল পরিবারগুলো বর্ষার আগেভাগেই ঘরবাড়ি উঁচু করে নিতে থাকে।  কারণ বর্ষার সময় উজান থেকে নেমে আসা বিপুল পরিমাণ পানি বন্যার অন্যতম কারণ। এ সময় নদ-নদী দিয়ে এই পানি বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়ার সময় ভাসিয়ে দেয় আশাপাশের এসব চরগুলো। নভেম্বর থেকে মার্চ, এই তিন মাস শুষ্ক মৌসুম। এ সময় পানির স্তর নিচে থাকায় চরবাসীরা অন্য জায়গা থেকে মাটি এনে ভিটা উঁচু করে নেয়। ভিটার সঙ্গে থাকে ঘাট, যা বর্ষার সময় উঁচু জায়গাটিতে ওঠা-নামায় সাহায্য করে। আবার এই ভিটার চারপাশে ঘাস আর জলজ সবজি লাগিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টাও থাকে স্থানীয়দের মধ্যে। এখন চরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে ভিটা উঁচু করে বাড়ি বানানোর প্রবণতা। এমনকি যারা আগে সামর্থ্যের অভাবে করতে পারত না, তারাও এখন সরকার ও বিভিন্ন এনজিওর সহায়তায় এই ব্যবস্থার মধ্যে ঢুকছে। প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার একটি&hellip;This article was originally published on <a href="https://bengali.mongabay.com/2022/08/02/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%be/" data-wpel-link="internal">Mongabay</a>]]>
						</content:encoded>
										<wfw:commentRss>https://bengali.mongabay.com/2022/08/02/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%8f%e0%a6%b2%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
					<slash:comments>0</slash:comments>
														</item>
						<item>
					<title>ঘূর্ণিঝড় প্রতিরোধে উপকূলে ম্যানগ্রোভেই স্থানীয়দের ভরসা</title>
					<link>https://bengali.mongabay.com/2022/06/03/%e0%a6%98%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82/</link>
					<comments>https://bengali.mongabay.com/2022/06/03/%e0%a6%98%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82/#respond</comments>
					<pubDate>03 জুন 2022 14:01:25 +0000</pubDate>
											<dc:creator>
							<![CDATA[আবু সিদ্দিক]]>
						</dc:creator>
										<author>
						<![CDATA[Abu Siddique]]>
					</author>
							<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
										<enclosure url="https://imgs.mongabay.com/wp-content/uploads/sites/38/2025/09/29140839/Photos-by-ABy-Siddique-1-768x512.jpg" type="image/jpeg" />
					<guid isPermaLink="false">https://bd.mongabaydev.wpengine.com/?p=170</guid>

					
											<locations>
							<![CDATA[এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, এবং বাংলাদেশ]]>
						</locations>
					
											<topic-tags>
							<![CDATA[আবহাওয়া, উপকূলীয় প্রতিবেশ, ক্রান্তীয় বন, চরম আবহাওয়া, জনগোষ্ঠী উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ঝড়, পরিবেশ, প্রকৃতি-ভিত্তিক জলবায়ু সমাধান, শাসন প্রক্রিয়া, এবং সামাজিক বন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি]]>
						</topic-tags>
					
					
											<description>
							<![CDATA[<p>ময়না রানী মণ্ডল, বসবাস করছেন বাংলাদেশের সাতক্ষীরা উপকূলে। জোয়ারের উঁচু ঢেউয়ের কারণে গত তিন দশকে অন্তত ১০ বার তার বাড়িঘর তলিয়ে গেছে পানিতে। বাংলাদেশ একটি বড় ব-দ্বীপ, যার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ৩০০ ‘র বেশি নদ-নদী। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমি ধস ছাড়াও মাটির লবণাক্ততার মত নানারকম বিপর্যয় ও ঘনঘন প্রাকৃতিক বিপন্নতার কবলে পড়ছে সবসময়, এরকম [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://bengali.mongabay.com/2022/06/03/%e0%a6%98%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82/" data-wpel-link="internal">ঘূর্ণিঝড় প্রতিরোধে উপকূলে ম্যানগ্রোভেই স্থানীয়দের ভরসা</a> appeared first on <a href="https://bengali.mongabay.com" data-wpel-link="internal">সংরক্ষণের খবর</a>.</p>
]]>
						</description>
																					<content:encoded>
							<![CDATA[ময়না রানী মণ্ডল, বসবাস করছেন বাংলাদেশের সাতক্ষীরা উপকূলে। জোয়ারের উঁচু ঢেউয়ের কারণে গত তিন দশকে অন্তত ১০ বার তার বাড়িঘর তলিয়ে গেছে পানিতে। বাংলাদেশ একটি বড় ব-দ্বীপ, যার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ৩০০ ‘র বেশি নদ-নদী। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমি ধস ছাড়াও মাটির লবণাক্ততার মত নানারকম বিপর্যয় ও ঘনঘন প্রাকৃতিক বিপন্নতার কবলে পড়ছে সবসময়, এরকম দেশগুলোর ভেতর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের মধ্যে একটি বাংলাদেশ। সমুদ্র এবং জোয়ারের ঢেউ থেকে বাঁচাতে, অধিকাংশ উপকূলীয় গ্রাম  বাঁধ  দিয়ে সুরক্ষিত রাখা হয়। উপকূলের মানুষ সাধারণ জোয়ারের ঢেউয়ের সঙ্গে পরিচিত। এর উচ্চতার সীমা ও আছড়ে পড়ার ধরন সম্পর্কে তারা সচেতন। তবে ইদানিং ধরন বদলেছে মৌসুমী ঝড়গুলোর। ঘূর্ণিঝড়ের সময় যখন ঢেউ হয় অনেক উঁচু এবং শক্তিশালী, তখন সহজেই  বাঁধ ভেঙে জলমগ্ন হয়ে পড়ে বসতিঅঞ্চল। প্রায় সব ঘূর্ণিঝড়  উপকূলে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামগুলো বন্যায় আক্রান্ত হয়। আর এই অবস্থায় স্থানীয়রা হয়ে পড়েন নিরুপায়। ঝড়ের তাণ্ডব থেকে রক্ষা পাওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকেনা তাদের হাতে। সাতক্ষীরার ময়না রানী মণ্ডল, ভারী জলোচ্ছ্বাসের কারণে অন্তত ১০ বার গৃহহারা হন তিনি। ছবি: আবু সিদ্দিক/মঙ্গাবে “বর্তমানে বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বাড়ছে, এবং আবহাওয়াও আর আগের মত থাকছেনা,” জানান ৫৫ বছর বয়সী বিধবা ময়না রানী। তিনি তার ছেলে, ছেলের স্ত্রী এবং নাতি-নাতনীদের সঙ্গে থাকেন। ময়না রাণী আরো জানান, অনেকদিন ধরেই জোয়ারের ঢেউয়ের উচ্চতার সঙ্গে বেড়ে চলেছে এর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। ২০০৯ সালে এই এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আইলা আঘাত করার সময়, ময়না রানি মণ্ডলের বাড়ি ভেসে যায়। সে সময় জোয়ারের ঢেউয়ের উচ্চতা ছিলো ১০ ফুটেরও বেশি। এরপর ২০২১ সালের ২৬ মে উপকূলে আঘাত করে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। প্রায় ১৩ লাখ মানুষ এই ঝড়ের কবলে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২৬ হাজার&hellip;This article was originally published on <a href="https://bengali.mongabay.com/2022/06/03/%e0%a6%98%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82/" data-wpel-link="internal">Mongabay</a>]]>
						</content:encoded>
										<wfw:commentRss>https://bengali.mongabay.com/2022/06/03/%e0%a6%98%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a7%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a7%82/feed/</wfw:commentRss>
					<slash:comments>0</slash:comments>
														</item>
			</channel>
</rss>